John Doe

Engineer

Developer

Freelancer

Coder

I'm John Doe,
Web Designer & Web Developer
from United States, California.

I have rich experience in web site design & building and customization. Also I am good at html, css, javascript, wordpress, php, jquery, bootstrap. I love to talk with you about our unique approach. Feel free to contact me writing an email with your project idea.

What I Do
UI/UX Design

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Brand Identity

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Web Design

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Mobile Apps

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Analytics

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Photography

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Recent Works

টেলিটক নতুন ইন্টারনেট অফার ২০১৯

টেলিটক নতুন ইন্টারনেট অফার

বাংলাদেশী মোবাইল অপারেটর টেলিটক এর নতুন অফার নিয়ে আজকের এই টিউন। টেলিটক সিমের বেশ কয়েকটি প্যাকেজ রয়েছে। এর মধ্যে জনপ্রিয় একটি প্যাকেজ হলো আগামী প্যাকেজ। কিছুদিন আগে আগামী প্যাকেজ এর নতুন একটি অফার দেয়া হয়। তার বিস্তারিত জানাচ্ছি এই পোস্ট এ।


teletalk new offer 2019 for agami sim internet data pack



টেলিটক নতুন অফার ২০১৯

আগামী সিমটি বিশেষ করে স্টুডেন্টরা বেশি ইউজ করে তাই এই কথা বিবেচনা করে তারা এই আগামী সিম নতুন ইন্টারনেট প্যাকটি দিয়েছে। এই অফার এ আপনারা বেশ সুলভ মূল্যে ডাটা কিনতে পারবেন। এবং এর মেয়াদ ও বেশ অনেকদিন থাকবে।




আগামী সিম ইন্টারনেট অফার ২০১৯

ডাটাপ্যাকগুলো হচ্ছে-
১ জিবি ৭ দিন ২১ টাকা - কোডঃ *১১১*৬০০#
১ জিবি ৩০ দিন ৪৩ টাকা - কোডঃ *১১১*৬০১#
২ জিবি ৩০ দিন ৮১ টাকা - *১১১*৬০২#
৩ জিবি ১০ দিন ৫৩ টাকা - *১১১*৬০৩#
৫ জিবি ১৫ দিন ৮৭ টাকা - *১১১*৬০৫#
১০ জিবি ৩০ দিন  ১৬৯ টাকা - *১১১*৬১০#

এই দামের মধ্যেই সব চার্জ ইনক্লুড করা আছে। উপরের প্যাকগুলো আপনি উপরে উল্লেখিত পরিমাণ রিচার্জ করলে অটোমেটিক এক্টিভ হয়ে যাবে। আর এর চেয়ে বেশি রিচার্জ করলে অথবা আগের ব্যালেন্স থাকলে আপনি উপরের কোডগুলো ডায়াল করলে চালু হয়ে যাবে। এছাড়াও আপনি চাইলে মেসেজ করেও আগামী সিম নতুন ইন্টারনেট প্যাকগুলো চালু করতে পারবেন। মেসেজের জন্য শর্টকোডগুলো যথাক্রমে A1, A2, A3, A4, A5 & A6. এসএমএস এ গিয়ে যে অফারটি নিতে চান তার কোডটি লিখে ১১১ এ পাঠিয়ে দিলেই হবে। আপনাদের সুবিদার্থে নিচে স্ক্রীনশটটি দেয়া হলো।


teletalk new internet offer 2019 agami sim internet offer



টেলিটক ইন্টারনেট অফার ২০১৯ বিস্তারিত

উপরের টেলিটক অফার ২০১৯ এর শর্তাবলী নিচে দেয়া হলো-
১। অব্যবহৃত ডাটা পরবর্তী মাসের ডাটার সাথে যোগ হয়ে যাবে।
২। ডাটা শেষ হলে পে পার ইউজ ১৫কিঃবাঃ/০১ পয়সা রেটে কাটা হবে।
৩। ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করার জন্য মেসেজ অপশন এ গিয়ে U লিখে 111 এ সেন্ড করলেই হবে অথবা *152# ডায়াল করলে ফিরতি মেসেজ এ জানিয়ে দেয়া হবে।
৪। পরবর্তী ঘোষণা দেয়া পর্যন্ত এই অফার চলবে।  

টেলিটক সিম এর অন্যান্য প্যাকেজ এর অফারগুলো দেখার জন্য আমাদের সাইট ফলো করুন। আশা করি এই টিউনটি আপনাদের ভাল লাগবে। আপনার ফ্রেন্ডদের জানানোর জন্য এই পোস্টটি শেয়ার করতে পারেন। নিত্যনতুন সব টেক পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো দিয়ে রাখতে পারেন। এছাড়াও চাইলে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল থেকেও ঘুরে আসতে পারেন।

ট্যাগঃ teletalk new offer 2019, teletalk internet offer 2019, teletalk new internet offer 2019, agami sim internet pack, agami sim internet offer, agami sim new offer.

ফেসবুক প্রোফাইল লক করার উপায়

সহজে ফেসবুক প্রোফাইল লক করার উপায়

ফেসবুক ইউজারদের ভাল ইউজার এক্সপেরিয়েন্স দেয়ার জন্য এবং ইউজারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সব সময় নতুন নতুন আপডেট নিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় কিছুদিন আগে এনেছিল প্রোফাইল পিকচার গার্ড অপশনটি। এই ফিচার ইউজ করলে ফেসবুক ইউজার এর প্রোফাইল পিকটি তার ফ্রেন্ডলিস্ট এর বাইরে কেউ ভাল রেজ্যুলেশনে দেখতে পেত না। কিন্তু চাইলে প্রোফাইলটি দেখতে পেত। কিন্তু সর্বশেষ যে আপডেটটি এনেছে এতে পুরো প্রোফাইলটি লক করার ব্যবস্থা রয়েছে।

facebook profile lock tutorial in bangla

ফেসবুক প্রোফাইল লক করব কিভাবে?

এই আপডেট আসার পর সবার মনে একই প্রশ্ন ফেসবুক প্রোফাইল লক করে কিভাবে? আজকের এই পোস্ট এ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে ফেসবুক প্রোফাইল লক করতে হয়। প্রোফাইল লক অপশনটি এখন পর্যন্ত সবার আইডিতে এভেইলেবল হয়নি। এটা অনেকের প্রোফাইলে অটোমেটিক চলে এসেছে। আবার অনেকের প্রোফাইলে আসেনি। যাদের এসেছে তারা সেখানে ক্লিক করে সেটিংস অন করে নিলেই হয়ে যেত। কিন্তু যাদের নটিফিকেশিন আসেনি তারা কিভাবে করবে তাদের জন্যই আজকের এই টিউন।

কিভাবে ফেসবুক প্রোফাইল লক করা যায়

যাদের আইডিতে প্রোফাইল লক অপশনটি চালু করা আছে তাদের আইডিতে যেতে হবে। মোবাইল অথবা পিসি যেকোন একটা থেকে গেলেই হবে। যাওয়ার পর লেখা আসবে This Profile Is Locked. তারপর This profile is locked অথবা Try It এ ক্লিক করলে নতুন একটা অপশন আসবে। সেখান থেকে Lock your profile এ ক্লিক করে আপনার প্রোফাইলটি লক করতে পারবেন।





এছাড়াও, নিচের লিংক এ গিয়ে আপনি আপনার প্রোফাইলটি লক করতে পারবেন (যদি আপনার প্রোফাইলটি লক করার জন্য এভেইলএবল হয়)
https://www.facebook.com/help/196419427651178

আরো একটি উপায় হচ্ছে, যাদের আইডিতে এই অপশনটি চালু হয়েছে তারা তাদের ফ্রেন্ডলিস্ট এর সবাইকে লক করার জন্য ইনভাইত করতে পারবে। ইনভাইট করার পর যাদের প্রোফাইলটি লক করার জন্য এভেইলএবল তারা লক করতে পারবেন।

ফেসবুক আইডি লক করার নিয়ম

ফেসবুক প্রোফাইল লক করার পর আপনার সব পোস্ট পাবলিক থেকে ফ্রেন্ডস হয়ে যাবে। এবং আপনার পরবর্তী পোস্টগুলোও পাবলিক হয়ে শেয়ার হবে না। আপনার ইন্ট্রো ছাড়া এবাউট এর সবকিছু পাবলিক থেকে ফ্রেন্ডস হয়ে যাবে। মোটকথা, আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট এর বাইরের কেউ আপনার প্রোফাইল এর কিছু দেখতে পাবেনা। এমনকি আপনার প্রোফাইল পিক, কভার পিক ও দেখতে পাবে না। তাই আপনি যদি পাবলিক প্রোফাইল অথবা সেলেব্রিটি অথবা সবার সাথে সবকিছু শেয়ার করতে চান এমন কেউ হন তাহলে এই ফিচারটি আপনার জন্য নয়। আর যদি কেউ শুধুমাত্র তার সব এক্টিভিটিজ শুধুমাত্র ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করতে চান তাহলে এই ফিচারটি আপনার জন্য বেশ ভাল।

কিভাবে ফেসবুক আইডি লক করা যায়
উপরের ৩ টি উপায়ে ফেসবুক আইডি লক করা যায়। সংক্ষেপে বললে,
১। যাদের প্রোফাইল লক করা আছে এমন কারো আইডিতে গিয়ে করা।
২। ফ্রেন্ড এর ইনভাইট এর মাধ্যমে
৩। ফেসবুক হেল্প মেন্যুর অপশন থেকে (যার লিংক উপরে দেয়া আছে)

আশা করি আপনারা বুজতে পেরেছেন। এরপর ও কিছু না বুঝে থাকলে কমেন্ট করুন। আমি রিপ্লাইতে জানিয়ে দেয়ার চেষ্টা করব। পোস্টটি ভাল লাগলে আপনার ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। এছাড়াও আমাদের পরবর্তী পোস্টগুলোর আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক দিয়ে রাখতে পারেন। এমনকি আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি থেকেও ঘুরে আসতে পারেন। ধন্যবাদ।

প্রাইজবন্ড কি? প্রাইজবন্ড কোথায় পাওয়া যায়? প্রাইজবন্ড কেনার উপায়।

১০০ টাকার প্রাইজবন্ড কোথায় পাওয়া যায়, প্রাইজবন্ড কিভাবে কিনব

প্রাইজবন্ড কি? প্রাইজবন্ড কাকে বলে?

প্রাইজবন্ড অনেকটা লটারির মত। কিন্তু এটা লটারি না। লটারি যেমন একবার ড্র হয়ে গেলে সেটার আর মেয়াদ থাকেনা এবং লটারিটির মূল্যও থাকেনা। অর্থাৎ লটারিতে না জিতলে পুরো টাকাটা আপনার লস। এদিকে প্রাইজবন্ড এর ড্র হয়ে যাওয়ার পরও এর মেয়াদ শেষ হয়না। পরবর্তী ড্র এর সময়ও এর মেয়াদ থাকে। অর্থাৎ প্রাইজবন্ড এর মেয়াদ শেষ হয়না। আর সবচেয়ে মজার বিষয় হল প্রাইজবন্ড এর কয়েকবার ড্র হওয়ার পরও, আপনি চাইলে সেগুলো ভাঙ্গিয়ে আবার টাকা নিয়ে আসতে পারবেন। অর্থাৎ আপনার ভাগ্য ভাল হলে প্রাইজ পেতে পারেন। আর না পেলেও আপনার লস হবে না।

প্রাইজবন্ড এর মূল্যঃ

প্রাইজবন্ড হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার কতৃক প্রবর্তিত এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কতৃক পরিচালিত এক ধরণের কাগজের মুদ্রা। প্রাইজবন্ড প্রথম চালু হয় ১৯৫৬ সালে আয়ারল্যান্ডে, আর বাংলাদেশ এ চালু হয় ১৯৭৪ সালে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১০ ও ৫০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড চালু হয়, তারপর ১৯৯৫ সালে ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড চালু করা হয়। ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড চালু হওয়ার পর পূর্বের ১০ ও ৫০ টাকা মূল্যমানেরগুলো ব্যাংক থেকে তুলে নেওয়া হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৪ কোটি ৪০ লাখ টি প্রাইজবন্ড রয়েছে।

প্রাইজবন্ড কোথায় পাব?

বাংলাদেশে এক সময় প্রাইজবন্ড অনেক জনপ্রিয় ছিল। জন্মদিনে বা বিয়েতে উপহার বা  পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনে ও উপহার বা পুরষ্কার হিসেবে  প্রাইজ বণ্ডের বেশ প্রচলন ছিল। প্রাইজ বন্ড এত জনপ্রিয় হওয়ার কারন, এটি দারুন একটি সঞ্চয়  এর পদ্ধতি। এখন কথা হচ্ছে, প্রাইজবন্ড কোথায় পাওয়া যায়? বাংলাদেশ ব্যাংকের সব শাখা অফিস, সব বাণিজ্যিক ব্যাংক, জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীন সারাদেশে ৭১টি সঞ্চয় ব্যুরো অফিস এবং পোস্ট অফিস থেকে ১০০ টাকা মূল্যমানের বন্ড কেনা ও ভাঙানো যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্য কোথাও প্রাইজবন্ডের লেনদেন সাধারণত বেআইনী।

প্রাইজবন্ড কিভাবে কিনব? প্রাইজবন্ড কেনার নিয়মঃ

উপরে উল্লেখিত যেকোন জায়গায় গিয়ে বলবেন প্রাইজবন্ড কিনতে চাই তখন তারা আপনাকে যত টাকার প্রাইজবন্ড কিনতে চান তত টাকার বন্ড দিবে। প্রাইজ বণ্ডের বাহক  ই বণ্ডের মালিক। এর কোন মালিকানা নেই। যে কোন বয়েসের যে কেউ প্রাইজ বণ্ডের মালিক হতে পারে। বন্ড কিনতে কোনো রকম জাতীয় পরিচয়পত্র লাগে না তবে পুরস্কারের টাকা তুলতে গেলে বন্ডের রশিদ, জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, ব্যাংক হিসাবের বিবরণ, নমিনি এবং প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সনাক্তকারীর স্বাক্ষর লাগবে।

প্রাইজবন্ড এর ড্রঃ

১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হয় বছরে চারবার: ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর। বন্ড কেনার দুই মাস পার হওয়ার পর প্রাইজবন্ড ড্রর আওতায় আসে। ড্র অনুষ্ঠানের দুই বছর পর্যন্ত পুরস্কারের টাকা দাবি করা যায়। এর মধ্যে কেউ দাবি না করলে পুরস্কারের অর্থ তামাদি হয়ে সরকারি কোষাগারে ফেরত যায়। আপনি “ড্র” এর ফলাফল দেখতে পারবেন পত্রিকায় অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েব সাইটে। আর যদি প্রাইজ বন্ডে পুরস্কার না পান, তবে যে কোন সময়ে প্রাইজ বন্ডের সমমূল্যের টাকা সরকারি/বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে অথবা পোস্ট অফিসেও ভাঙ্গাতে পারবেন।

প্রাইজবন্ড এর পুরষ্কারঃ
(ক) ৬,০০,০০০ টাকার প্রথম পুরস্কার একটি
(খ) ৩,২৫,০০০ টাকার দ্বিতীয় পুরস্কার একটি
(গ) ১,০০,০০০ টাকার তৃতীয় পুরস্কার দু'টি
(ঘ) ৫০,০০০ টাকার চতুর্থ পুরস্কার দু'টি
(ঙ) ১০,০০০ টাকার পঞ্চম পুরস্কার চল্লিশটি

প্রাইজ বন্ড মুলত সরকারের প্রতি জনগণের একটি সুদ মুক্ত বিনিয়োগ। তাই আপনি চাইলে এটি সঞ্চয় করতে পারেন ড্র তে মিলিয়ে দেখার জন্য।

পোষ্টটি যদি ভাল লাগে তাহলে আপনার ফেসবুক ওয়ালে ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। নতুন নতুন সব টিপস পেতে আমাদের সাইট ভিজিট করুন। আর চাইলে আমাদের সাথে যোগ দিতে পারেন মেগাটিউনবিডির ফেসবুক পেজে

তথ্যসূত্রঃ
১। http://bit.ly/2rMlWDl
২। http://bit.ly/2IqXNIR
৩। http://bit.ly/2KxfAPq

ট্যাগঃ ১০০ টাকার প্রাইজবন্ড, ১০০ টাকার প্রাইজবন্ড কোথায় পাওয়া যায়? , প্রাইজবন্ড চেক করার উপায়, প্রাইজবন্ড চেক করব কিভাবে?, প্রাইজবন্ড কোথায় পাওয়া যায়? ১০০ টাকার প্রাইজবন্ড কিনব কিভাবে?

ওয়াইলিক্স রিভিউ (Yllix Review) - ফ্রী ব্লগ সাইটের জন্য বেস্ট এড নেটওয়ার্ক।

ওয়াইলিক্স রিভিউ - পেমেন্টপ্রুফ সহ


অনেকেই ওয়াইলিক্স এড নেটওয়ার্ক এর সম্পর্কে জানেন। অফিসিয়াল সাইট দেখুন এখানে Yllix ক্লিক করে। ২০১২ সালে এই নেটওয়ার্ক ওদের যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এরা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ফ্রী সাইট এপ্রুভাল করার জন্য এবং সিম্পল রেজিস্ট্রেশন মেথড এর জন্য। এদের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল ইন্সট্যান্ট এপ্রুভাল, আপনি একাউন্ট ওপেন করার সাথে সাথেই এড ইউজ করা শুরু করতে পারবেন, এপ্রুভাল এর জন্য ওয়েট করতে হবেনা। আর ওরা ডেইলির পেমেন্ট ডেইলি দিয়ে দেয় এবং ওদের মিনিমাম ইউথড্র ১ ডলার। ওয়াইলিক্স পাবলিশার হিসেবে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

Yllix Review In Bangla - Best Ad Network For Free Website/Blog

Official Site: Yllix
Commision Type: CPM/CPC/CPA
Ad Type: Banner, Slider, Mobile Redirects, Layer, Popup, Direct Link
Payment Method: Paypal, Payza (Not available now), Payoneer, Bitcoin and Bank Wire.
Minimum Payment: Paypal $1, Payza $10(Not available now), Payoneer $50, Bitcoin $10, Bank Wire $1000

বেস্ট গুগল এডসেন্স এবং এডস্টেরা অলটারনেটিভ

গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য আপনার কোয়ালিটি সাইট থাকতে হবে। ভাল সাইট না হলে আপনি এডসেন্স এপ্রুভাল পাবেন না। ফ্রী সাইটেও এডসেন্স পাওয়া যায় না। সহজে এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য আমার এই পোষ্ট দেখুন
আবার এডস্টেরাও ট্রাস্টেড নেটওয়ার্ক, ভাল পেমেন্টও দেয়, কিন্তু এডস্টেরাতেও এপ্রুভাল এর জন্য ওয়েট করতে হয়, মিনিমাম ১০০ ডলার না হলে পেমেন্ট তোলা যায় না, আবার এই নেটওয়ার্ক ফ্রী সাইট যেমন Blogspot, Weebly সাইটগুলো এপ্রুভ করেনা। পেমেন্ট প্রুফসহ আমার এডস্টেরা রিভিউ দেখুন এখান থেকে
তাই আপনার যদি ফ্রী সাইট এবং নতুন সাইট অথবা লো কোয়ালিটি সাইট থাকে তাহল এই নেটওয়ার্ক ইউজ করে সহজেই টাকা আয় করতে পারেন। তবে সাইটে ভাল ভিজিটর থাকতে হবে। আর এই এড নেটওয়ার্ক ভিউ/ক্লিক এর পেমেন্ট করে না, সিপিএ মডেল অর্থাৎ ভিজিটর কোন একশন নিলেই পেমেন্ট করে যেমন ব্রাউজার এক্সটেনশন ইন্সটল করলে, এপ ইন্সটল করলে, নেটিভ এড ভিউ করলে এভাবে। তাই এই Ad network ডাউনলোড সাইট, মিউজিক সাইট, স্ট্রিমিং সাইট এর জন্য ভাল কাজ করে।

কিভাবে একাউন্ট করবেন এবং এড সাইটে ইউজ করবেন

ওদের টার্মস এন্ড কন্ডিশন শিথিল। তেমন কোন বিধি নিষেধ নেই। আপনি খুব সহজেই একাউন্ট করতে পারবেন। আপনারা এখানে ক্লিক করে আমার রেফারেল থেকে একাউন্ট করুন। তাহলে একাউন্ট করার সময় কোন সমস্যা হলে আমি দেখে দিতে পারব। যোগাযোগ করার জন্য আমার ফেসবুক পেজে মেসেজ করুন।
Yllix Publisher Account করার জন্য আমার ভিডিওটি দেখুন


পেমেন্ট প্রুফ - Yllix Payment Proof
ওয়াইলিক্স ট্রাস্টেড একটি সাইট। আপনার একাউন্ট এ ডলার এড হলেই আপনার সিলেক্ট করা পেমেন্ট মেথড এ ওরা সরাসরি টাকা সেন্ড করে দিবে। আমি আমার লাস্ট একটা পেমেন্ট নিয়েছি ১০ ডলার এর। আমি পেইজা তে নিয়েছিলাম। বাট এখন পেইজা পেমেন্ট বন্ধ আছে সাময়িকভাবে। তাই পেইজা ছাড়া অন্য গুলো দিয়ে যেমন পেওনিয়ার বা বিটকয়েন দিয়ে পেমেন্ট নিতে পারেন।

আমি এডসেন্স এবং এডস্টেরা ইউজ করি তাই ওয়াইলিক্স ইউজ করা হয় কম। আমার রেকমন্ডেশন থাকবে এডসেন্স অথবা এডস্টেরা ইউজ করার জন্য। Adsterra একাউন্ট খুলতে এবং রিভিউ দেখতে এখানে ক্লিক করুন। আর যতদিন এডসেন্স/এডস্টেরা তে এপ্রুভাল না পাবেন, অথবা যদি এপ্রুভাল না দেয় তাহলে আপনি Yllix Ad Network ব্যবহার করতে পারেন। ওয়াইলিক্স এ এড পাবলিশার হিসেবে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন

আমার পোস্টটি ভাল লাগলে আপনার ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করবেন। কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে  পারেন। ধন্যবাদ।

নতুন এন্ড্রয়েড ফোনে যে এপসগুলো ইউজ করতে হয়


নতুন এন্ড্রয়েড ফোনে যে এপসগুলো ইন্সটল করবেন

এপস হচ্ছে এন্ড্রয়েড ফোন এর প্রাণ। প্লে স্টোর এ হাজার হাজার এপ রয়েছে। আপনি ফোন কেনার পর প্লেস্টোর থেকে কোন এপসগুলো ইন্সটল করবেন তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান। এই টিউনটিতে জানাব নতুন এন্ড্রয়েড মোবাইলে কোন এপসগুলো ইউজ করতে হয়।

এন্ড্রয়েড ফোনে যে এপসগুলো ইউজ করতে হয়


সিকিউরিটি-

১। AVG Antivirus
আপনার মোবাইল এর সুরক্ষার জন্য দরকার একটি এন্টিভাইরাস। আপনি এভিজি এন্টিভাইরাস ইউজ করে আপনার ফোনটির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারেন।

২। Applock
আপনার ফোন এর এপসগুলো লক করে রাখার জন্য এই সফটওয়ারটি ইউজ করতে পারেন। এটি খুবই ভাল একটি সফটওয়্যার। আমি নিজেও আমার মোবাইলে এটি ইউজ করি।

৩। Gallery Vault
আপনার গুরুত্বপূর্ণ যে কোন ফাইল, অডিও, ভিডিও, ছবি এগুলো হাইড করে রাখার জন্য খুবই ভাল একটি এপ। এর মধ্যে আরও বেশ কিছু ফিচার রয়েছে। ইন্সটল করে ওপেন করলেই বুঝতে পারবেন।

কমিউনিকেশন-

১।Messenger
আপনার বন্ধু-বান্ধব, আত্বীয়-স্বজনের সাথে কমিউনিকেশন করার জন্য বেস্ট একটি এপ এটি। মেসেঞ্জার এপটি সারা বিশ্বেই খুব জনপ্রিয়। এর মাধ্যমে আপনি চ্যাটিং, অডিও কল, ভিডিও কল, ফাইল শেয়ারিং সবকিছুই করতে পারবেন।

২। WhatsApp
হোয়াটসএপ আরও একটি জনপ্রিয় কমিনিকেশন এপ। এর কাজও মেসেঞ্জার এর মত। এর মাধ্যমেও আপনি চ্যাটিং, অডিও কল, ভিডিও কল, ফাইল শেয়ারিং করতে পারবেন।

আমার মতে এই ২টা এপস থাকলেই এনাফ। এর বাইরেও অনেকে  IMO, Viber এগুলো ইউজ করে থাকে।

ইন্টারনেট ব্রাউজারস-

১। Google Chrome
গুগল ক্রোম বেশ জনপ্রিয় একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। এন্ড্রয়েড ফোন এর সাথে এটি বাই ডিফল্ট দেয়া থাকে। গুগল ক্রোম ব্যবহার করলে অন্য কোন ব্রাউজার ব্যবহার করা লাগেনা।

২। CM Browser
গুগল ক্রোম ব্যবহার করলে আসলে অন্য কোন ব্রাউজার ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়েনা। তারপরও বিভিন্ন কাজে আমাদের এক এর অধিক ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করতে হতে পারে। সেই হিসেবে ক্রোম এর পর আমার পছন্দ সিএম ব্রাউজার। এটি খুবই চমৎকার একটি ব্রাউজার এবং সাইজেও অনেক ছোট। এটি ইউজ করে দেখতে পারেন।

এই ২টার বাইরেও চাইলে অপেরা মিনি, ফায়ারফক্স এগুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন। তবে আমার দেখা সবচেয়ে বাজে এবং বিরক্তিকর ব্রাউজার হচ্ছে ইউসি ব্রাউজার।

টুলস-

১। CCleaner
আপনার এন্ড্রয়েড ফোনটি ক্লিন করার জন্য এবং স্পীড আপ করার জন্য সিক্লিনার একটি কার্যকরী এপ।

২। DiskDigger
ডিস্কডিগার হচ্ছে এন্ড্রয়েড মোবাইল এর ডাটা রিকভারী সফটওয়্যার। আপনার ডিলিট হয়ে যাওয়া ছবিগুলো ফিরে পাওয়ার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন।

৩। WPS Office
স্মার্টফোন এ ব্যবহার করার জন্য সবচেয়ে ভাল অফিসস্যুট এপ্লিকেশন। এর মাধ্যমে আপনি ওয়ার্ড ফাইল, এক্সেল ফাইল, পিডিএফ ফাইল পড়তে পারবেন।

৪। Shareit
এক মোবাইল থেকে অন্য মোবাইলে অথবা মোবাইল থেকে ল্যাপটপ এ ফাইল ট্রান্সফার করার জন্য সবচেয়ে ভাল এপ্লিকেশন।

এন্টারটেইনমেন্ট-

১। MX Player
মোবাইলে ভিডিও দেখার জন্য ভাল একটি সফটওয়্যার। এর সাহায্যে আপনি মোটামুটি সব ফরম্যাট এর ভিডিও দেখতে পারবেন। এর ফিচারগুলো খুব সুন্দর। ব্যাবহার করলেই বুঝতে পারবেন।

২। Play Music
প্লে-মিউজিক হচ্ছে ফোনে মিউজিক শোনার এপ্লিকেশন। এখানে আপনার মিউজিকগুলো খুব সুন্দরভাবে অর্গানাইজ করে রাখতে পারবেন, প্লেলিস্ট আকারে রাখতে পারবেন।

ফটো এডিটিং-

১। Picsart
ফটো এডিটিং এর জন্য সেরা একটি সফটওয়্যার। এটার মধ্যে ফটো এডিটিং এর জন্য মোটামুটি সব ধরণের ফিচার রয়েছে।

২। Pixlr
এটিও খুব জনপ্রিয় ফটো এডিটিং এপ। এটি পিকসাআর্ট এর চেয়ে সাইজে অনেক ছোট। তাই আপনি চাইলে পিকসআর্ট এর পরিবর্তে পিক্সলার ব্যবহার করতে পারেন।

এন্ড্রয়েড ফোনে ব্যবহার করার মত এপসগুলো জানিয়ে দিলাম


এছাড়া এই পোস্টগুলো পড়ে দেখতে পারেন-


পোস্টটি সম্পর্কে আপনার মতামত জানাতে চাইলে নিচে কমেন্ট বক্স এ কমেন্ট করুন। পোস্টটি ভাল লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। আমাদের পরবর্তী পোস্টগুলো আপনার ফেসবুকে নিউজফীডে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ লাইক দিয়ে রাখুন। আর মেগাটিউন বিডির সাথেই থাকুন।

WhatsApp একাউন্ট নিরাপদ রাখার ৭টি উপায়


WhatsApp একাউন্ট নিরাপদ রাখার উপায়

বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং এপসগুলোর মধ্যে WhatsApp একটি। এই মেসেঞ্জার এপটির ইউজার প্রায় ১ বিলিয়ন এর উপরে। আমরা শুধু মেসেজিং না এমনকি অডিও ভিডিও কল করার জন্যও এই এপটি ইউজ করি। সে জন্যই আমাদের উচিত এই এপটিকে নিরাপদ রাখা।
২০১৬ সালে হোয়াটস এপ একটি ফিচার চালু করে সেটি হচ্ছে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন। অর্থাৎ আপনি এবং আপনি যাকে মেসেজ দিবেন তিনি ছাড়া মাঝখানে আর কেউ অথবা কোন থার্ড পার্টি সফটওয়্যার আপনার মেসেজ পড়তে পারবে না। যাই হোক, এর বাইরেও আপনার কিছু সিকিউরিটি টিপস মেইনটেইন করা উচিত।

WhatsApp একাউন্ট নিরাপদ রাখার উপায়

হোয়াটসএপ একাউন্ট নিরাপদ রাখব কিভাবে

হোয়াটসএপ নিরাপদ রাখার টিপসগুলো তুলে ধরা হল


১। WhatsApp টি লক করে রাখুন
আপনার হোয়াটসএপটি পিন অথবা পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করে রাখুন যাতে আপনি ছাড়া আর কেউ এক্সেস করতে না পারে। বাই ডিফল্ট এই ফিচারটি হোয়াটসএপ এ নেই। এ জন্য আপনাকে একটি থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ইউজ করতে হবে। আমি  Applock ইউজ করি।

২। টু ফ্যাক্টর ভেরিফিকেশন ইউজ করুন
এটি খুবই দারুণ একটি ফিচার। এই ফিচারটি হচ্ছে, আপনি ৬ ডিজিট এর একটি পিন সেটআপ করে রাখবেন। এরপর কেউ যদি আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে আরেকটি একাউন্ট খুলতে চায় তাহলে এই কোডটি লাগবে। অর্থাৎ এই কোড ছাড়া কেউ আপনার নাম্বার দিয়ে নতুন কোন একাউন্ট ওপেন করতে পারবেনা। এই সেটিংসটি অন করার জন্য আপনার একাউন্ট এ যেতে হবে সেখান থেকে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন এ ক্লিক করে সেটিং করে নিতে হবে।

৩। প্রোফাইল পিক সেটিংস
নরমালি যে কেউ আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট এর বাইরে হলেও আপনার ফুল প্রোফাইল পিক দেখতে পারবে। কিন্তু আপনি যদি সেটিংস এ গিয়ে মাই কন্টাক্টস অথবা নোবডি করে দেন তাহলে আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট অথবা আপনি ছাড়া আর কেউ আপনার প্রোফাইল পিক দেখতে পাবে না।

৪। গ্যালারী থেকে ছবি হাইড করে রাখুন
হোয়াটসএপ এর একটি অপশন হল কী আপনাকে কোন মিডিয়া ফাইল অর্থাৎ চবি বা ভিডিও পাঠালে সেগুলো সরাসরি আপনার গ্যালারীতে চলে যায়। আপনি চাইলে সেটিংস এ গিয়ে এটি চেঞ্জ করতে পারবেন। এই সেটিংস এ আপনি চাইলে মিডিয়া ফাইলগুলো আর আপনার গ্যালারীতে শো করবেনা।

৫। হারানো অথবা চুরি যাওয়া ফোন এর একাউন্ট ডিএক্টিভেট করে রাখুন
আপনার সাধের ফোন যদি হারিয়ে যায় বা চুরি হয়ে যায় তাহলে আপনার একাউন্টটি ডিএক্টিভেট করে রাখুন। এজন্য আপনাকে যা করতে হবে, আপনার হারানো সিমটি রিপ্লেস করে আনুন, তারপর নতুন একটি ফোন থেকে এই নাম্বার দিয়ে একটি হোয়াটসএপ একাউন্ট খুলুন তাহলেই আগের একাউন্টটি ডিএক্টিভেট হয়ে যাবে।

৬। স্ক্যাম থেকে এলার্ট থাকুন
অনেক সময় বিভিন্ন অপিরিচিত নাম্বার থেকে বিভিন্ন অফার, বোনাস অফার করে খুবই কম দামে। এগুলো মূলত স্ক্যাম। আপনি ঐ লিংক থেকে গিয়ে কিছু কিনলে আপনার ব্যাংক একাউন্ট হ্যাক হয়ে যেতে পারে তাই এগুলো থেকে দূরে থাকুন।

৭। ক্লাউড ব্যাকআপ টি ডিজেবল করে রাখুন
আপনি যদি আপনার প্রাইভেসী সম্পর্কে সচেতন হয়ে থকেন তাহলে হোয়াটসএপ এর ক্লাউড ব্যাকআপ অপশনটি বন্ধ করে রাখুন। শুধু শুধু কেন আপনার ব্যাক্তিগত জিনিস ক্লাউড স্টোরেজ এ আপলোড করে রাখবেন?

এই সবগুলো টিপস আপনি ফলো করলে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন আপনার একাউন্টটি নিরাপদ। তারপরও চ্যাট করার সময় সবসময় সতর্ক থাকুন। এর বাইরে যদি আপনার কোন টিপস জানা থেকে তাহলে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানান।

আরও পড়তে পারেন-



আশা করি পোস্টটি আপনাদের উপকারে আসবে। আপনার মতামত জানাতে কমেন্ট করুন। আপনাদের কমেন্ট পেলে আমরা লিখতে উৎসাহ পাই। ভাল লাগলে বন্ধুদের জানানোর জন্য লেখাটি শেয়ার করুন।

ওয়েবসাইটে সহজে এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার উপায় - স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন


গুগল এডসেন্স পাওয়ার সহজ উপায়

অনেকেই প্রশ্ন করে কিভাবে গুগল এডসেন্স পাব? গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য কি কি করতে হবে? তাদের জন্য গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় নিয়ে আলোচনা করলাম।

গুগল এডসেন্স পাওয়ার সহজ উপায়


গুগল এডসেন্স কি?
এডসেন্স হচ্ছে সার্চইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল এর একটি এডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট মালিকরা তাদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন কোম্পানীর এড দিয়ে টাকা আয় করতে পারে। এই এড নেটওয়ার্ক এর এত জনপ্রিয়তার কারণ হচ্ছে এটি গুগলের প্রোডাক্ট তাই ফ্রড হওয়ার কোন ভয় নাই। এরা সবচেয়ে বেশি পেমেন্ট দেয় যা অন্য নেটওয়ার্ক থেকে পাওয়া যায় না। কিন্তু এদের রুলস এন্ড রেগুলেশন ও খুব শক্ত তি এপ্রুভাল পাওয়াটাও একটু কঠিন।


এডসেন্স কয় ধরণের?
এডসেন্স একাউন্ট ২ ধরণের। একটি হচ্ছে হোস্টেড একাউন্ট আরেকটি হচ্ছে নন-হোস্টেড একাউন্ট। হোস্টেড একাউন্ট হচ্ছে ইউটিউব এবং ব্লগস্পট ব্লগ এর জন্য। এই একাউন্ট এর এড আপনি আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করতে পারবেন না। আর নন-হোস্টেড একাউন্ট হচ্ছে এর এড আপনি আপনার ওয়েবসাইট, এপ যে কোন কিছুতে ব্যবহার করতে পারবেন।

এডসেন্স কিভাবে কাজ করে?
আপনার একটি একাউন্ট থাকতে হবে। সেখান থেকে ওয়েবসাইট এপ্রুভ করিয়ে নিতে হবে। তারপর এড একাউন্ট থেকে এড কোড নিয়ে আপনার ওয়েবসাইটে বসাতে হবে। ওয়বসাইটে এড শো করলে এড ভিউ এবং ক্লিক এর উপর ভিত্তি করে গুগল আপনাকে টাকা দিবে।

সহজে এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য কি কি করতে হবে?


১। প্রথমে আপনার একটি ভাল মানের সাইট থাকতে হবে। সাইটটি কাস্টম ডোমেইন (.com, .net, .org) এ হতে হবে। ফ্রী সাইট যেমন ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস সাব ডোমেইন দিয়ে হবেনা। অনেকেই বলেন .tk সাইট দিয়ে পাওয়া যাবে কিনা? এগুলো দিয়ে যদি পানও বেশিদিন ইনকাম করতে পারবেন না। কারণ এইসব ফ্রি ডোমেইন এর সাইটগুলো ২ দিন পর নাই হয়ে যায়।

২। আপনার সাইটে ৩০-৩৫ টি ইউনিক আর্টিকেল থাকতে হবে তবে অনেকেই ২০-২৫ টা দিয়েও পাচ্ছে। কিন্তু আপনি প্রথমবারেই এপ্রুভাল পেতে চাইলে একবারে গুছিয়ে করাই ভাল। কোন কপি কনটেন্ট দেয়া যাবেনা। আর্টিকেলগুলো ৩০০-৪০০ ওয়ার্ড এর হতে হবে, ৫০০ ওয়ার্ড এর বেশি হলে ভাল।

৩। আপনার ডোমেইন এর বয়স ২-৩ মাস হতে হবে। অনেকে এর কমেও পাচ্ছে। কিন্তু আপনি একটা ডোমেইন নেয়ার পর সব কিছু রেডি করে ৩০-৩৫ টা আর্টিকেল দিতে গেলে এমনিতেই ২-৩ মাস লেগে যাবে। আর এইসব কাজে তাড়াহুড়া করে রিস্ক নেয়ার কি দরকার।

৪। রেগুলার ভাল ভাল পোস্ট দিতে হবে। এপ্রুভাল পাওয়ার পর রেগুলার পোস্ট না দিলে আপনার সাইট এডসেন্স থেকে সাসপেন্ড হয়ে যেতে পারে।

৫। সাইটের মেনু, ক্যটাগরিগুলো সুন্দর করে সাজানো থাকতে হবে।  About, Privacy, Disclaimer, Sitemap এই পেজগুলো এড করা থাকতে হবে।

৬। সাইটে অন্য কোন এড নেটওয়ার্ক এর এড ইউজ করা যাবেনা। থাকলে সেগুলো রিমুভ করে দিতে হবে। এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার পর অন্য নেটওয়ার্ক এর এড ব্যবহার করতে পারবেন।

৭। আপনার ব্লগটি গুগল ওয়েবমাস্টার এবং গুগল এনালাইটিক্স এ এড করে নিতে হবে। এবং ওয়েবমাস্টার এ সাইটম্যাপ সাবমিট করে নিতে হবে।

৮। আপনার ব্লগ এর জন্য কিছুদিন এসইও করতে হবে। কিছু ভিজিটর আসা শুরু হলে এবং আপনার ব্লগ পোস্টগুলো গুগলে ইনডেক্স হওয়ার পর এপ্লাই করতে হবে।

এডসেন্স পাওয়ার পর যে জিনিসগুলো করবেন না

১। কোন কপি কনটেন্ট দিবেননা। রেগুলার ইউনিক আর্টিকেল পোস্ট করে যাবেন।

২। ভুলেও নিজের এড এ নিজে ক্লিক করবেন না। তাহলে আপনার সাধের এডসেন্স একাউন্টটিই ব্যান হয়ে যাবে।

৩। হ্যাকিং, পাইরেসী, ক্রাইম এই রিলেটেড পোস্ট দিবেন না।

৪। পোস্ট এর ইমেজগুলো গুগল থেকে ডাউনলোড করে দেয়া যাবে না। নিজে বানিয়ে দিতে হবে।

৫। সাইটে কোন প্রকার এডাল্ট কনটেন্ট দেয়া যাবে না।

এগুলো মেনে চললেই আপনার সাধের এড একাউন্টটি নিরাপদ রাখতে পারবেন।


এডসেন্স থেকে আয় করা টাকা পাবেন কিভাবে?

গুগল থেকে পেমেন্ট পাওয়ার জন্য আপনার এড একাউন্ট এ আপনার নাম, এড্রেস ব্যাংক একাউন্ট দেয়া থাকতে হবে। আপনার প্রতিদিনের ইনকাম এডসেন্স একাউন্ট এ এড হতে থাকবে। ১০ ডলার হলে গুগল আপনার এড্রেস এ একটি পিন পাঠাবে আপনার এড্রেস ভেরিফাই করার জন্য। তারপর ভেরিফাই হয়ে গেলে একাউন্ট এ ১০০ ডলার হলে গুগল আপনার ব্যাংক একাউন্ট এ সরাসরি টাকা পাঠিয়ে দিবে। ১০০ ডলার এর নিচে হলে নেক্সট মাস এর ইনকাম এর সাথে পাবেন। ১০০ এর নিচে কোন পেমেন্ট পাঠায় না।

ওয়াবসাইটে এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার সহজ উপায়

ওয়েবসাইটে এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার সহজ উপায়গুলো আলোচনা করলাম। এবার আপনার পালা। সাইট রেডি করে এপ্লাই করে ফেলুন।

কিছু কথা- অনেকেই বলেন ভাই ফ্রী সাইট দিয়ে কিভাবে এডসেন্স পাব? .tk সাইট দিয়ে এডসেন্স পাব কিনা? আমার কথা হচ্ছে ভাই, ইনকাম যেহেতু করতে চাচ্ছেন তাহলে একটু খরচ করতে এত আপত্তি কোথায়। একটা কথা আছে যত গুড় তত মিষ্টি। আপনি ১ টাকাও ইনভেস্ট না করে গুগল থেকে হাজার হাজার টাকা আয় করার স্বপ্ন দেখছেন? এটা বোকামী হয়ে গেল না? আর এখন একটা ডোমেইন কিনতে ৮০০-৯০০ টাকার বেশি লাগেনা। এই টাকা খরচ করতেই যদি আপনার আপত্তি লাগে তাহলে আপনার অনলাইন ইনকাম এর দিকে না আগানোই ভাল। মানুষ বর্ত্মানে  ১৫-১৬ বছর পড়াশুনা করে, এত টাকা খরচ করে, এত পরিশ্রম করে একটা ভাল যব পায় না। সেখানে আপনি কিভাবে ২ দিনে ফ্রী ফ্রী টাকা ইনকাম করার কথা চিন্তা করেন। কলেজ এর ২/৩ টা বই কিনতেই হাজার বারোশ টাকা লেগে যায়। তাই যদি অনলাইন থেকে আয় করার ইচ্ছা থাকে তাহলে অল্প কিছু খরচ করার চিন্তা করে আগানোই ভাল। আর যখন কিছু টাকা খরচ করবেন তখন আপনর কাজের প্রতিও একাগ্রতা আসবে। আমার কথায় মনঃকষ্ট পেয়ে থাকলে আমাকে মাফ করবেন।

আমাদের এই পোস্টগুলোও পড়ে দেখতে পারেন-


আপনার কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করুন অথবা আমাদের ফেসবুক পেজে মেসেজ দিন। পোস্টটি ভাল লাগলে অবশ্যই আপনার ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
Contact Me

Adress/Street

12 Street West Victoria 1234 Australia

Phone number

+(12) 3456 789

Website

www.johnsmith.com