John Doe

Engineer

Developer

Freelancer

Coder

I'm John Doe,
Web Designer & Web Developer
from United States, California.

I have rich experience in web site design & building and customization. Also I am good at html, css, javascript, wordpress, php, jquery, bootstrap. I love to talk with you about our unique approach. Feel free to contact me writing an email with your project idea.

What I Do
UI/UX Design

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Brand Identity

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Web Design

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Mobile Apps

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Analytics

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Photography

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Recent Works
Showing posts with label কম্পিউটার টিপস. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটার টিপস. Show all posts

২০-৩০ হাজার টাকার মধ্যে কেনার মত সেরা ৫টি ল্যাপটপ - কম বাজেটের ল্যাপটপ


২০-৩০ হাজার টাকার মধ্যে কেনার মত সেরা ৫টি ল্যাপটপ

যদিও আমরা উন্নত দেশগুলোর তুলনায় প্রযুক্তির ব্যাবহার এর দিক দিয়ে পিছিয়ে ছিলাম কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশ এর মানুষ বেশ প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। ইন্টারনেট এর ব্যবহার শহর থেকে গ্রামে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। তারই ধারাবাহিকতায় পার্সোনাল কম্পিউটার এর ব্যবহার ও বাড়ছে। একটা সময় পিসি নেয়ার কথা ভাবলেই ডেস্কটপ কম্পিউটার কেনার কথা মাথায় আসত। ল্যাপটপ ব্যবহার এর কথা সবাই ভাবতে পারত না। কিন্তু এখন এই অবস্থারও পরিবর্তন হয়েছে। মানুষ ল্যাপটপ এর ব্যবহার বাড়াচ্ছে।
কম দামে কেনার মত ল্যাপটপ

৩০ হাজার টাকার কমে কেনার মত ৫টি ল্যাপটপ

আমরা অনেকেই শুরু করার জন্য অথবা বাজেট কম থাকার কারণে একটু কম দামে ল্যাপটপ কিনতে চাই। তাদের জন্য আজকে কমদামী কয়েকটা ল্যাপটপ এর কথা তুলে ধরলাম। বিশেষ করে যাদের বাজেট ২০ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা তদের জন্য।


১।
লেনোভো - Lenovo
মডেল নেম- Lenovo IP 110
প্রসেসর- Intel Celeron Duel Core
ডিসপ্লে- ১৪ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- নাই
ওয়ারেন্টি- ১ বছর
প্রাইস- ২২,৫০০/= টাকা

অথবা

আসুস- Asus
মডেল নেম- Asus X441NA
প্রসেসর- Intel Celeron Duel Core
ডিসপ্লে- ১৪ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ৫০০ গিগাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- নাই
ওয়ারেন্টি- ২ বছর
প্রাইস- ২১,৫০০/= টাকা

অথবা

এসার - Accer
মডেল নেম- Acer Aspire ES1-533
প্রসেসর- Intel Celeron Dual Core
ডিসপ্লে- ১৫.৬ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ৫০০ গিগাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- নেই
ওয়ারেন্টি- ২ বছর
প্রাইস- ২৩,০০০/= টাকা

২।
লেনোভো - Lenovo
মডেল নেম- Lenovo IP 110
প্রসেসর- Pentium Quad Core
ডিসপ্লে- ১৪ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- নেই
ওয়ারেন্টি- ১ বছর
প্রাইস- ২৪,৫০০/= টাকা

অথবা

এসার - Accer
মডেল নেম- Acer Aspire ES1-432
প্রসেসর- Pentium Quad Core
ডিসপ্লে- ১৪ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- নেই
ওয়ারেন্টি- ২ বছর
প্রাইস- ২৫,৫০০/= টাকা

৩।
এসার - Accer
মডেল নেম- Acer Aspire ES1-572
প্রসেসর- কোর আই ৩, ৬ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৫.৬ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- নেই
ওয়ারেন্টি- ২ বছর
প্রাইস- ২৯,৫০০/= টাকা

এগুলোই যে একদম সঠিক দাম এটার কোন গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি না। দামগুলো লোকাল মার্কেট এবং ইন্টারনেট থেকে যাচাই করে দেয়া হয়েছে। তাই দামের মধ্যে সামান্য এদিক ওদিক হতে পারে। আপনি কেনার সময় অবশ্যই কয়েক দোকান যাচাই বাছাই করে তারপর কিনবেন।

কোন ব্র্যান্ড এর ল্যাপটপ ভাল হবে

সবার একটা কমন প্রশ্ন থাকে সেটা হল কোন ব্র্যান্ড এর ল্যাপটপ ভাল হবে। এলেক্ট্রনিক জিনিস অনেকটা ভাগ্যের উপরও ডিপেন্ড করে। এক এক জন একটা ইউজ করে কমফোর্ট ফিল করেছে। আবার আমার কাছে যেটা ভাল মনে হচ্ছে অনেকের কাছে সেটা ভাল মনে নাও হতে পারে। এক এক ব্র্যান্ড এর আউটলুক এক এক রকম। তাছাড়া সবাইই কিন্তু সার্ভিস ওয়ারেন্টি দিচ্ছে। উপরে ৩টি ক্যাটাগরি অনুযায়ী দাম দিয়ে দিলাম। এর মধ্যে যেটা আপনার ভাল লাগে সেটা কিনে দেখতে পারেন।

কম দামে ভাল ল্যাপটপ কিনতে চান

কম দামে কেনার মত ল্যাপটপ গুলো উল্লেখ করে দিলাম। এগুলো থেকে কিনতে পারেন। অথবা আপনার পরিচিত কেউ থাকলে তাদের মাধ্যমে সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ কিনতে পারেন। পরিচিত কারো কাছ থেকে সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ কিনলে খারাপ পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে। আমার এক ফ্রেন্ড সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ কিনে কোন প্রবলেম ছাড়াই ৪ বছর ব্যবহার করেছে। এটাও আসলে অনেকটা ভাগ্য বলা যায়।

আরও দেখতে পারেন-



আর্টিকেলটি কেমন হল কমেন্ট এ জানাতে ভুলবেন না। আমাদের পরবর্তী পোস্টগুলো সাথে সাথে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে রাখুন। পোস্টটি ভাল লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার পদ্ধতি - সহজ কয়েকটি উপায়


ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার পদ্ধতি

আপনারা সবাই জানেন ইউটিউব (Youtube) সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট। ইউটিউব (Youtube) কিন্তু সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগলেরই একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ এখানে ভিডিও দেখে। এখানে ইউজাররা ভিডিও দেখার পাশাপাশি ভিডিও আপলোড করা, অন্য কারো ভিডিওতে লাইক, কমেন্ট করার সুযোগ পায়। এমনকি আমাদের ইন্টারনেট এ থাকার সময় অনেকটাই কেটে যায় এই ইউটিউব এ। কিন্তু আমরা অনলাইনে ইউটিউব ভিডিও দেখার পাশাপাশি অফলাইনেও ভিডিও দেখতে চাই। সে জন্যই ভিডিও ডাউনলোড করার উপায় নিয়ে আমার আজকের এই টিউন।

ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার সহজ উপায়

ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার সহজ উপায়

ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। যেমন অনলাইন টুলস এর সাহায্যে, লিংক চেঞ্জ এর মাধ্যমে অথবা সফটওয়্যার এর মাধ্যমে। কিন্তু তার মধ্যে সহজ উপায়গুলো আমি আপনাদের জানাব। তো চলুন শুরু করা যাক।


কম্পিউটারে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করবেন কিভাবে

১। লিংক চেঞ্জ করার মাধ্যমে
যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান সেই ভিডিওটির এড্রেস বার এ যান, এড্রেস বার এ গিয়ে  www. এর পর  ss দিয়ে এন্টার করুন। তাহলে একটি নতুন পেজ আসবে সেখান থেকে আপনার পছন্দের ফরম্যাট অনুসারে ডাউনলোড করে নিন। যেমন,

ভিডিও এড্রেস যদি হয়,  www.youtube.com/blahblah
তাহলে আপনারা  ss এড করলে হবে  www.ssyoutube.com/blahblah




২। অনলাইন টুলস এর সাহায্যে
বিভিন্ন অনলাইন টুলস আছে যেগুলো থেকে আপনি বিভিন্ন ফরম্যাট এ ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন। যেমন, যেই ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান ইউটিউব থেকে সেটির লিংক কপি করে নিচের যে কোন একটি সাইটে গিয়ে পেস্ট করুন। তারপর আপনার পছন্দের ফরম্যাট এ সেভ করে নিন।

Apowersoft Online Video Downloader

Clip Converter

KeepVid

৩। সফটওয়্যার এর সাহায্যে
অনলাইন থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য একটি জনপ্রিয় সফটওয়্যার হচ্ছে আইডিএম (IDM)। কিন্তু এটি মাত্র  ৩০ দিনের জন্য ফ্রী ইউজ করতে দেয় তারপর পেইড ভার্সন কিনতে বলে। অবশ্য অনেকেই ইন্টারনেট থেকে পাইরেটেড কপি নামিয়ে ইউজ করে।
আপনি যদি এইসব ঝামেলায় না যেতে চান তাহলে আপনার জন্য খুব সুন্দর একটা সফটওয়্যার আছে। আমিও এটা ইউজ করি। নাম হচ্ছে ঈগলগেট (Eagleget). এটা সম্পূর্ণ ফ্রী আপনি চাইলে এটা নামিয়ে ব্যবহার করে দেখতে পারেন।




৪। ফায়ারফক্স (Firefox) এক্সটেনশন এর মাধ্যমে
ফায়ারফক্স ব্রাউজার এর জন্য একটি এক্সটেনশন আছে। এর সাহায্যে আপনি যে কোন ওয়েবসাইট থেকে ভিডিও নামাতে পারবেন। এটি ইন্সটল করার পর ব্রাউজার এ একটি আইকন শো করবে। যে সকল সাইটে ভিডিও ফাইল আছে সেই সকল সাইটে এটা এনিমেট করতে থাকবে তখন সেখানে ক্লিক করে সেভ করতে হবে।

এক্সটেনশনটি এড করুন এখান থেকে

মোবাইলে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করবেন কিভাবে

১। লিংক এর সাহায্যে
আপনি যদি আপনার ফোনে কোন সফটওয়্যার ইউজ করতে না চান তাহলে গুগল ক্রোম ব্রাউজার এ গিয়ে Youtube এ যাবেন। তারপর যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান সেই ভিডিওর এড্রেস বার এ যাবেন। সেখানে  www. অথবা  m. এর পরে  ss এড করে উপরের দেখানো নিয়মে সেভ করতে পারেন।

২। এন্ড্রয়েড এপস এর সাহায্যে
এন্ড্রয়েড মোবাইল থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য বেশ কিছু সফটওয়্যার রয়েছে। আমি আপনাদের জনপ্রিয় ২টি সফটওয়্যার এর কথা বলব। একটি হচ্ছে ভিডমেট (Vidmate) এবং আরেকটি হচ্ছে টিউবমেট (Tubemate)। যে কোন একটি এপ ইন্সটল করে এপ থেকে আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।



ভিডমেট ইন্সটল করুন এখান থেকে
টিউবমেট ইন্সটল করুন এখান থেকে

ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করব কিভাবে

উপরে বেশ কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করলাম। যে কোন একটি উপায় অব্লম্বন করে আপনি ভিডিও ডাউনলোড করতে পারেন।


ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার নিয়ম সম্পর্কে জানলেন

আরও দেখতে পারেন-



আজ এ পর্যন্তই। আশা করি পোস্টটি আপনাদের ভাল লাগবে। কমেন্ট করে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। আপনার বন্ধুদের জানাতে চাইলে ফেসবুকে শেয়ার করতে পারেন।

৪০-৫০ হাজার টাকার মধ্যে কেনার মত সেরা ৫ টি ল্যাপটপ - কোন ল্যাপটপ ভাল হবে


৪০-৫০ হাজার টাকার মধ্যে কেনার মত সেরা ৫ টি ল্যাপটপ

ল্যাপটপকে এক সময় ভাবা হত বিলাসিতার বস্তু। সবাই কাজ করার জন্য ডেস্কটপই ব্যবহার করত। কিন্তু এই অবস্থার পরিবর্তন হয়ে মানুষ এখন ল্যাপটপ ব্যবহারের দিকে বেশি ঝুঁকছে। বিশেষ করে তরুণদের কাছে ল্যাপটপটাই এখন জনপ্রিয়। কিন্তু এই ল্যাপটপ কেনার আগে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্ধে পড়ে যান কোন ল্যাপটপ কিনব, কোন ল্যাপটপ এর দাম কত এগুলো চিন্তা করে। তাই আপনাদের এই চিন্তা থেকে মুক্ত করতে আমরা আমাদের এই টিউনটি সাজিয়েছি। আপনার বাজেট যদি থাকে ৪০-৫০ হাজার টাকা তাহলে এই টিউনটি আপনার জন্য। আর বাজেট যদি ৩০-৩৫ হাজার টাকা হয় তাহলে এই পোস্ট এর নিচের দিকে আরেকটি পোস্ট এর লিংক দিয়ে দিব সেটি দেখতে পারেন। তো চলুন শুরু করা যাক।
৫০ হাজার টাকার কমে কেনার মত সেরা ৫ টি ল্যাপটপ


৫০ হাজার টাকার কমে কেনার মত সেরা ৫ টি ল্যাপটপ

৫০ হাজার টাকার কমে আপনি যে পিসিগুলো কিনতে পারবেন সেগুলো হল


১।
লেনোভো - Lenovo
মডেল নেম- Lenovo IP 110
প্রসেসর- কোর আই ৫, ৬ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৫.৬ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- ২ গিগাবাইট
ওয়ারেন্টি- ১ বছর
প্রাইস- ৪১,৫০০/= টাকা

অথবা

এসার - Accer
মডেল নেম- Acer Aspire E5-575
প্রসেসর- কোর আই ৫, ৭ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৫.৬ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- নেই
ওয়ারেন্টি- ২ বছর
প্রাইস- ৪২,০০০/= টাকা

২।
আসুস- Asus
মডেল নেম- Asus X540UP
প্রসেসর- কোর আই ৫, ৭ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৫.৬ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- ২ গিগাবাইট
ওয়ারেন্টি- ২ বছর
প্রাইস- ৪৫,৩০০/= টাকা

অথবা

লেনোভো - Lenovo
মডেল নেম- Lenovo IP320
প্রসেসর- কোর আই ৫, ৭ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৪ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- ২ গিগাবাইট
ওয়ারেন্টি- ১ বছর
প্রাইস- ৪৬,০০০/= টাকা

৩।
আসুস- Asus
মডেল নেম- Asus X556UQ
প্রসেসর- কোর আই ৫, ৭ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৫.৬ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৮ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- ২ গিগাবাইট
ওয়ারেন্টি- ২ বছর
প্রাইস- ৫০,৩০০/= টাকা

অথবা

লেনোভো - Lenovo
মডেল নেম- Lenovo IP 500
প্রসেসর- কোর আই ৫, ৬ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৫.৬ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৮ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- ৪ গিগাবাইট
ওয়ারেন্টি- ১ বছর
প্রাইস- ৪৯,৫০০/= টাকা

অথবা

এসার - Accer
মডেল নেম- Acer Aspire A515-51
প্রসেসর- কোর আই ৫, ৭ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৫.৬ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৮ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ২ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- নেই
ওয়ারেন্টি- ২ বছর
প্রাইস- ৪৯,৫০০/= টাকা

এগুলোই যে একদম সঠিক দাম এটার কোন গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি না। দামগুলো লোকাল মার্কেট এবং ইন্টারনেট থেকে যাচাই করে দেয়া হয়েছে। তাই দামের মধ্যে সামান্য এদিক ওদিক হতে পারে। আপনি কেনার সময় অবশ্যই কয়েক দোকান যাচাই বাছাই করে তারপর কিনবেন।

কোন ল্যাপটপটা ভাল হবে?

আসলে এটা আপনার উপর নির্ভর করে। আপনি কি কাজের জন্য কিনতে চাচ্ছেন সেটার উপর ভিত্তি করে আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন ব্র্যান্ড এর ল্যাপটপ ভাল হবে। তবে আপনি চাইলে কিনতে যাওয়ার আগে আমাদের ল্যাপটপ কেনার গাইডলাইন টি দেখে যেতে পারেন।

এছাড়াও আরও পড়তে পারেন-


পোস্টটি ভাল লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। পোস্ট সম্পর্কে আপনার কোন মতামত জানাতে চাইলে নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন। আর কপমিউটার রিলেটেড অথবা মোবাইল টেকনোলজি রিলেটেড নতুন সব পোস্ট পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। চাইলে আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজার এ সাইটটি  বুকমার্ক করে রাখতে পারেন। আর আপনার ফেসবুক ফীডে আমাদের নতুন পোস্টগুলো পেতে চাইলে ওয়েবসাইটের ফেসবুক পেজ এ লাইক দিয়ে রাখতে পারেন।

৩০-৩৫ হাজার টাকার মধ্যে কেনার মত সেরা ৫ টি ল্যাপটপ - ল্যাপটপ এর দাম


৩০-৩৫ হাজার টাকার মধ্যে কেনার মত সেরা ৫ টি ল্যাপটপ

বর্তমানে মানুষের কাছে ল্যাপটপ একটি দৈনন্দিন ব্যবহার্য ডিভাইস এ পরিণত হচ্ছে। আর সবাই চায় তার পছন্দের ডিভাইসটি যাচাই বাছাই করে কিনতে এবং এটাই স্বাভাবিক। আপনি যদি নতুন ল্যাপটপ কিনতে যান এবং আপনার বাজেট যদি হয় ৩০-৩৫ হাজার টাকা তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য। অনেকেই প্রশ্ন করেন যে কোন ল্যাপটপ কিনব? ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে ল্যাপটপ এর দাম জানতে চাই। তাদের জন্যই আজকের এই টিউনটি সাজানো হল।
৩৫ হাজার টাকার কমে কেনার মত সেরা ৫ টি ল্যাপটপ


৩৫ হাজার টাকার কমে কেনার মত সেরা ৫ টি ল্যাপটপ


১।
লেনোভো - Lenovo
মডেল নেম- Lenovo IP 110
প্রসেসর- কোর আই ৩, ৬ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৫.৬ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- ২ গিগাবাইট
প্রাইস- ৩১,০০০/= টাকা

অথবা

আসুস- Asus
মডেল নেম- Asus X441UA
প্রসেসর- কোর আই ৩, ৬ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৪ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- নেই
প্রাইস- ৩০,৫০০/= টাকা

২। 
লেনোভো - Lenovo
মডেল নেম- Lenovo IP320
প্রসেসর- কোর আই ৩, ৬ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৫.৬ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- ২ গিগাবাইট
প্রাইস- ৩৩,০০০/= টাকা

অথবা

আসুস- Asus
মডেল নেম- Asus X441UA
প্রসেসর- কোর আই ৩, ৬ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৪ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- নেই
প্রাইস- ৩৩,০০০/= টাকা

৩। 
লেনোভো - Lenovo
মডেল নেম- Lenovo IP 310
প্রসেসর- কোর আই ৩, ৭ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৫.৬ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- নেই
প্রাইস- ৩৫,০০০/= টাকা

অথবা

আসুস- Asus
মডেল নেম- Asus X441UA
প্রসেসর- কোর আই ৩, ৭ জেনারেশন
ডিসপ্লে- ১৪ ইঞ্চি
র‍্যাম- ৪ গিগাবাইট
হার্ডডিস্ক- ১ টেরাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ড- নেই
প্রাইস- ৩৪,০০০/= টাকা

এগুলোই যে একদম সঠিক দাম এটার কোন গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি না। সামান্য এদিক ওদিক হতে পারে। আপনি অবশ্যই যাচাই বাছাই করে কিনবেন।

ল্যাপটপ এর দাম জানলেন - এবার আপনার কেনার পালা।


ল্যাপটপ কেনার আগে

আমাদের এই পোস্টটি দেখতে পারেন - ল্যাপটপ কেনার আগে করণীয়

এছাড়াও আরও পড়তে পারেন-



পোস্টটি ভাল লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। আপনার কোন জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্ট করুন। আর ল্যাপটপ সংক্রান্ত অথবা টেকনোলজি সংক্রান্ত নিত্যনতুন পোস্ট পেতে আমাদের সাইট ভিজিট করুন। চাইলে আপনার ব্রাউজারে বুকমার্ক করে সেভ করে রাখতে পারেন। আর আপনার নিউজফিডে আমাদের ব্লগ এর পোস্টগুলো পেতে চাইলে আমাদের ফেসবুক পেজ এ লাইক দিয়ে রাখুন। ধন্যবাদ।

ল্যাপটপ কেনার গাইড - ল্যাপটপ কেনার আগে ও পরে করণীয়


ল্যাপটপ কেনার গাইড

বর্তমানে ল্যাপটপ জিনিসটা সবার ইউজ করার একটা কমন ডিভাইস এ পরিণত হয়েছে। আগে এটাকে বিলাসিতার জিনিস বলে গণ্য করা হত কিন্তু এখন এটা নিত্যপ্রয়োজনীয় একটা ডিভাইস হিসেবে দাঁড়িয়েছে। আগে পিসি কেনার কথা উঠলেই মানুষ ডেস্কটপ কম্পিউটার এর কথা ভাবত কিন্তু এখন পিসি কেনার কথা বললেই ল্যাপটপ এর কথা আগে মাথায় আসে। তো এ পর্বটি সাজানো হয়েছে ল্যাপটপ কেনার গাইডলাইন নিয়ে।
ল্যাপটপ কেনার গাইড


ল্যাপটপ কিনতে পরামর্শ

ল্যাপটপ কিনতে যে পরামর্শ দিব তা হল আপনি নিজে আগে চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেন আপনি কি কাজের জন্য কি ধরণের ল্যাপটপ নিতে চাচ্ছেন। আপনি যদি বাসায় ইউজ করতে চান তাহলে একটু বড় সাইজের হলেও সমস্যা নেই। এক্ষেত্রে আপনি ১৫" অথবা ১৫.৬" সাইজের ল্যাপটপ নিতে পারেন। আর যদি বাইরে নিয়ে যেতে হয় ভার্সিটি বা অফিসে তাহলে একটু ছোট সাইজ নেয়াটাই বেটার হবে। এক্ষেত্রে ১৩" বা ১৪" সাইজের নিতে পারেন। আর অবশ্যই ব্যাটারির কথা চিন্তা করতে হবে ব্যাটারি কেমন ব্যাকআপ দিবে তা জেনে নিতে হবে।


নতুন ল্যাপটপ কেনার আগে করণীয়

আপনার ল্যাপটপ কেনার আগে করণীয় কাজগুলো নিচে উল্ল্যেখ করে দিলাম। আশা করি আপনার কাজে লাগবে।

বাজেটঃ কেনার আগে যে জিনিসটি প্রথমে আসে তা হল আপনার বাজেট। প্রথমেই বাজেট ঠিক করে নিবেন যে কত টাকার মধ্যে নিতে চান। তাহলে সে অনুযায়ী কনফিগারেশন সিলেক্ট করা যাবে।

প্রসেসরঃ প্রসেসর হচ্ছে পিসির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন পার্ট। প্রসেসরের উপর ডিপেন্ড করে আপনার ল্যাপটপ এর পারফরম্যান্স। প্রসেসর এর ক্লক স্পীড, ক্যাশ মেমরি, কোরের সংখ্যা, বাসস্পীড এগুলো জেনে নিতে হবে।

হার্ডডিস্কঃ আপনার পিসির মেমরীটাকেই হার্ডডিস্ক বলা হয়। আপনার যাবতীয় ফাইল, অডিও, ভিডিও, মুভি, টিউটোরিয়াল সবকিছুই কিন্তু হার্ডডিস্ক এ থাকবে। হার্ডডিস্ক এ স্পেস যত বেশি থাকবে আপনি তত বেশি ফাইল রাখতে পারবেন। বর্তমানে ৫০০ গিগাবাইট এবং ১ টেরাবাইট এর হার্ডডিস্ক পাওয়া যায়। আমার মত আপনিও নিশ্চই ১ টেরাবাইট কেনার কথা ভাবছেন?

র‍্যামঃ র‍্যাম এর উপর আপনার পিসির কার্যক্ষমতা নির্ভর করে। বর্তমানে ২ জিবি থেকে শুরু করে ৮ জিবি পর্যন্ত র‍্যাম পাওয়া যায়। মিনিমাম ৪ জিবি র‍্যাম নেয়ার ট্রাই করবেন। এর বেশি হলে তো আরও ভাল।

ব্যাটারীঃ আগের ল্যাপটপ গুলোতে Ni-Cad নিকেল-ক্যাডমিয়াম ইউজ করা হত। কিন্তু বর্তমানে Li-ion লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারী ইউজ করা হয়। ব্যাটারীর কার্যক্ষমতা নির্ভর করে এর সেলে সংখ্যার উপর। সেল বেশি হলে চার্জ বেশীক্ষন থাকবে। ট্রাই করবেন ৬ সেল এর ব্যাটারী নেয়ার জন্য।

নতুন ল্যাপটপ কেনার পর

নতুন ল্যাপটপ কেনার পর অনেকেই চিন্তায় পড়ে যান, কিভাবে কি করবেন বুঝতে পারেন না তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট।
ল্যাপটপ কেনার সময় দোকান থেকেই আপনাকে বেসিক সেটাপটা করে দেয়া হবে। সেগুলো হয়তো আপনার মনের মত নাও হতে পারে। তাই আপনি বাসায় বসে নিজের মত করে যেন সব সাজিয়ে নিতে পারেন সেটাই আজকে জানাব।

উইন্ডোজ আপডেট করা
আপনার কম্পিউটারটি চালু করার করার পর যে কাজটি প্রথমে করবেন সেটি হল উইন্ডোজ আপডেট করে নেয়া। এজন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। ইন্টারনেট সংযোগ চালু করার পর সেটিংস মেনুতে গিয়ে আপডেট করতে হবে। আপডেট করার পর চেক করে নিবেন সবকিছু ঠিকঠাক মত কাজ করছে কিনা।

ড্রাইভার আপডেট করা
পিসি কেনার সময় আপনাকে সিডির মত দেখতে একটা ডিস্ক দেয়া হবে। এটার মধ্যেই ড্রাইভারগুলো থাকে। এখান থেকে আপনার প্রয়োজনীয় ড্রাইভারগুলো ইন্সটল/আপডেট করে নিবেন। আর যদি এই ডিস্কটি না থাকে তাহলে নেটে সার্চ করে যে কোম্পানীর ল্যাপটপ কিনেছেন সেই কোম্পানীর মডেল অনুসারে ড্রাইভারগুলো ডাউনলোড করে নিবেন।

এন্টিভাইরাস ইন্সটল করা
উইন্ডোজ আপডেট করার পর, ড্রাইভার ইন্সটল করার পর যে কাজটি করবেন সেটি হচ্ছে একটি ভাল এন্টি ভাইরাস ইন্সটল করে নেয়া। আমার সাজেশন থাকবে সব ফিচার আছে এ রকম একটি এন্টিভাইরাস ইউজ করা, যদি কিনতে না পারেন তাহলে নেট থেকে ফ্রী একটি এন্টিভাইরাস নামিয়ে নিতে পারেন। এতে আপনার পিসিতে ফাইল ট্রান্সফার এর সময় অথবা ইন্টারনেট চালানোর সময় ভাইরাস এর হাত থেকে নিরাপদ থাকতে পারবেন।

এই পোস্টটি দেখতে পারেন কম্পিউটার নিরাপদ রাখার উপায়সমূহ

সফটওয়্যার ইন্সটল করা
পিসি কেনার সময় দোকান থেকেই আপনাকে কিছু সফটওয়্যার দিয়ে দেয়া হবে। কিন্তু এর বাইরেও আপনার সফটওয়্যার প্রয়োজন হতে পারে। তখন আপনি নেটে সার্চ করে আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো নামিয়ে ইন্সটল করে নিবেন।
এখানে একটি সাইট এর লিংক দিয়ে দিলাম। এটি খুব জনপ্রিয় একটি কম্পিউটার এপ কালেকশন সাইট। আপনি এখান থেকে আপনার প্রয়োজনীয় সব সফটওয়্যার নামিয়ে নিতে পারবেন।

অপ্রোজনীয় সফটওয়্যার আনইন্সটল করা
কম্পিউটার কেনার সময় দোকান থেকে অনেক সময় কিছু এপ ইন্সটল করে দেয় যেগুলো আপনার কোন কাজে লাগবে না। আপনি সেগুলো খুঁজে আনইন্সটল করে দিবেন।

এই আর্টিকেলগুলো মিস করবেন কেন-



পোস্টটি কেমন লাগল কমেন্ট করে আপনার অনুভূতি জানান। ভাল লাগলে আপনার ফ্রেন্ডদের জানাতে ফেসবুকে শেয়ার করুন।

নতুন কম্পিউটারে যে সফটওয়্যারগুলো অবশ্যই ইউজ করতে হয়


নতুন কম্পিউটারে যে সফটওয়্যারগুলো অবশ্যই ইউজ করতে হয়

এই পোস্টটি একদম নতুনদের জন্য যারা এই প্রথম নতুন কম্পিউটার কিনেছে। কম্পিউটার কেনার সময়ই দোকান/শোরুম থেকে সেটাপ দিয়ে দেয়ার সময় দরকারি সফটওয়্যারগুলো দিয়ে দেয়া হয় তারপরও কিছু কিছু সফটওয়্যার ওরা দেয়ার প্রয়োজন মনে করে না। আমি নিচে একটা লিস্ট দিয়ে দিচ্ছি এগুলোর মধ্যে যেগুলো আপনার কম্পিউটার/ল্যাপটপ এ নেই সেগুলো ইন্সটল করে নিতে পারেন।
নতুন কম্পিউটারে যে সফটওয়্যারগুলো অবশ্যই ইউজ করতে হয়


নতুন কম্পিউটার এ ইউজ করার জন্য সফটওয়্যার লিস্ট

১। ওয়েব ব্রাউজার
আপনি পিসিতে অবশ্যই ইন্টারনেট চালাবেন। আর এই ইন্টারনেট চালানোর জন্য লাগবে ইন্টারনেট ব্রাউজার।

ফায়ারফক্স - সবচেয়ে বেশি কাস্টমাইজএবল এবং অধিক সংখ্যক এক্সটেনশন ও এডঅন যুক্ত ব্রাউজার। আপনি যদি টেকনোলোজি প্রিয় অথবা ইন্টারনেট এ কাজ করে থাকেন তাহলে ফায়ারফক্স হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ।
গুগল ক্রোম - সবচেয়ে দ্রুত এবং নিরাপদ ওয়েব ব্রাউজার। খুব সিম্পল ডিজাইনের মধ্যে ভাল কাজ করে। নরমাল ইউজারদের জন্য এটা বেস্ট চয়েস।

আপনারা এই ২টা ব্রাউজারই আপনাদের পিসিতে রাখবেন। এছাড়াও চাইলে অপেরা, কমোডো ড্রাগন ব্রাউজারও প্রয়োজন হলে ইউজ করতে পারেন।

২। ফাইল কম্প্রেশন এবং এক্সট্রাকশন সফটওয়্যার
উইনরার - একটি শক্তিশালী এবং লাইটওয়েট কমপ্রেশন এন্ড ডিকমপ্রেশন টুল। এই টুলটি অনেক ফরম্যাট যেমন রার, জিপ এগুলো আনপ্যাক করতে পারে। তবে একটা অসুবিধা হল এটা দিয়ে আনপ্যাক করলে বারবার পপ আপ ইউন্ডো ক্লোজ করতে হয়।

৩। ড্রাইভার আপডেট সফটওয়্যার
একটি ড্রাইভার স্ক্যানার/চেকার আপনাকে অটোম্যাটিক্যালি মিসিং ড্রাইভারগুলো ইন্সটল করতে এবং আপডেট করতে সাহায্য করবে।
ড্রাইভারম্যাক্স - এটি একটি শক্তিশালী ড্রাইভার চেকার। এটি নিজে নিজেই মিসিং ড্রাইভারগুলো খুঁজে বের করতে পারে এবং ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে পারে। এটার মধ্যে ব্যাকআপ এবং রিস্টোর অপশন আছে তাই আপনি যদি কোন ভুল করে ফেলেন তাহলে সেটিও সমাধান করা যাবে। এটী সিনেট ইউজারদের দেয়া টপ রেটেড ড্রাইভার চেকার।

৪। এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
আপনার পিসিকে ভাইরাস এর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য পিসিতে অবশ্যই একটি এন্টিভাইরাস থাকা দরকার। আমি সাজেস্ট করব ফুল ফিচার আছে এ রকম একটি এন্টিভাইরাস ইউজ করার জন্য। কিন্তু তা যদি আপনি না পারেন তাহলে ফ্রী এন্টিভাইরাস ইউজ করতে পারেন। নাই মামার চেয়ে কানা মাম ভাল বলে একটা কথা আছে না?

৫। ফায়ারওয়াল
এন্টিভাইরাস থাকলে ফায়ারওয়াল ইউজ করতে হবে কেন? ২টার কাজ সম্পূর্ণ আলাদা। ফায়ারওয়াল আপনাকে আগেই ওয়ার্নিং দিবে, রিস্কি কিছু হলে ব্লক করে দিবে আর এন্টিভাইরাস এর কাজ হচ্ছে এফেক্টেড হওয়ার পর তা রিমুভ করা। তাই আপনাকে ২টাই ইউজ করতে হবে। উইন্ডোজ এ ডিফল্টভাবে একটা ফায়ারওয়াল দেয়া থাকে কিন্তু আপনি চাইলে থার্ডপার্টি ফায়ারঅওয়াল (কমোডো ফ্রী ফায়ারওয়াল) ইউজ করে দেখতে পারেন।

৬। সফটওয়্যার আনইন্সটলার
মাইক্রোসফট ইউন্ডোজ এর ডিফল্ট সফটওয়্যার আনইন্সটলার রয়েছে। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ ভাবে একটি সফটওয়্যার এর সব ফাইল রিমুভ করতে পারেনা। এর কারণে কিছুদিন পর আপনার পিসি স্লো হয়ে পড়ে। সে কারণে একটি বেটার থার্ডপার্টি আনইন্সটলার ইউজ করা ভাল

রেভো আনইন্সটলার - এটি বেস্ট ফ্রী আনইন্সটলার এর মধ্যে একটি। এটি প্রথমে সিলেক্টেড সফটওয়্যারটির বিল্টইন আনইন্সটলার থেকে আনইন্সটল করে তারপর ঐ সফটওয়্যার এর রেখে যাওয়া ফাইলগুলো খুঁজে বের করে এবং রিমুভ করে।

৭। মিডিয়া প্লেয়ার
আপনি যদি ভিডিও দেখতে এবং মিউজিক শুনতে ভালবাসেন তাহলে অবশ্যই আপনার একটি ভাল মিডিয়া প্লেয়ার দরকার হবে যেটাতে আপনি স্মুথলি ভিডিও দেখতে অথবা গান শুনতে পারবেন।

পটপ্লেয়ার - এটির অথর হচ্ছে কেএম প্লেয়ার এর অথর। এই প্লেয়ারটিকে কেএম প্লেয়ার এর আপডেটেড ভার্সন বলে বিবেচনা করা হয়। এটি খুবই পাওয়ারফুল, কাস্টমাইজএবল এবং স্টেবল একটি মিডিয়া প্লেয়ার।
ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার - এটি টপ ফ্রী মিডিয়া প্লেয়ারগুলোর মধ্যে একটি। এটি বেশ দীর্ঘ সময় ধরে ইউজারদের সেবা দিয়ে আসছে। এটি পোর্টেবল এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি মিডিয়া প্লেয়ার।

৮। অফিস স্যুট
আপনি পিসি কেনার সময় আপনাকে মাইক্রোসফট অফিস স্যুটটা ইন্সটল করে দেয়া হবে। মাইক্রোসফট অফিস স্যুটটাই বেস্ট। এছাড়াও আপনি চাইলে অনলাইনেবেইসড গুগল ড্রাইভ এর গুগল ডকস এবং গুগল শীটস ইউজ করতে পারেন।

৯। পিডিএফ রিডার
আপনার পিসিতে পিডিএফ ফাইল অথবা ইবুক পড়ার জন্য একটি পিডিএফ রিডার লাগবে। এডবি পিডিএফ রিডারই স্ট্যান্ডার্ড পিডিএফ রিডার। তবে আপনি চাইলে এটা ছাড়া ফক্সিট রিডারও ইউজ করতে পারেন।

১০। ভিডিও কলিং সফটওয়্যার
আপনার পিসি থেকে অনলাইনে কারো সাথে কথা বলতে চাইলে অথবা ভিডিও চ্যাট করতে চাইলে আপনার ভিডিও কলিং সফটওয়্যার লাগবে।

স্কাইপি - পিসির জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও কলিং এপস। এটি যেমন পপুলার তেমন ইউজার ফ্রেন্ডলি। আপনি এটি দিয়ে অডিও কল, ভিডিও কল এমনকি পিসি থেকে মোবাইল ফোন নাম্বারেও কল দিতে পারবেন।
টীমভিউয়ার - এটাকে ভিডিও কলিং সফটওয়্যার ঠিক বলা যায় না, বরং রিমোট কন্ট্রোলার বলা যায়। এর মাধ্যমে আপনি আপনার স্ক্রীন আরেক জনে পিসি ইউজার এর সাথে শেয়ার করতে পারবেন অথবা আপনি রিমোটলি অন্য কম্পিউটার এ এক্সেস করে কাজ করতে পারবেন।

নতুন কম্পিউটার এর জন্য এই সফটওয়্যারগুলোই যথেষ্ট।


ল্যাপটপ এ যে সফটওয়্যারগুলো ইউজ করতেই হবে

এই বিষয়ের এই পোস্টটি আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।

আরও দেখুন -

কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ সিকিউরড রাখার গুরুত্বপূর্ন টিপস

 

কম্পিউটার সিকিউরড রাখার গুরুত্বপূর্ন টিপস

আমরা অনেক সচেতনতা মূলক কথা শুনি যে, হ্যাকিং, ম্যালওয়্যার, ভাইরাস এগুলো থেকে সেফ থাকতে হবে। তো আজকে কম্পিউটার এর সিকিউরিটি সম্পর্কে কিছু টিপস দিব যাতে আপনার সাধের কম্পিউটার/ল্যাপটপটি নিরাপদ থাকে।

কম্পিউটার সিকিউরিটি টিপস

৭ টি কম্পিউটার সিকিউরিটি টিপস

১। ফায়ারওয়াল ইউজ করা
ফায়ারওয়াল হচ্ছে এমন একটু সফটওয়্যার যা আপনার কম্পিউটার এর ইনকামিং এবং আউটগোয়িং কানেকশন হ্যান্ডেল করবে। এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে বাই ডিফল্ট দেয়া থাকে। এটা ইউজ করলেই যথেষ্ট। কিন্তু আপনি চাইলে Comodo Firewall ইউজ করতে পারেন। এটা সম্পূর্ণ ফ্রী আর ইউজার ফ্রেন্ডলি। ফায়ারওয়াল এর জন্য আমি এটাই রেকমেন্ড করব।

২। এন্টিভাইরাস ইউজ করা
আপনার ল্যাপটপ অথবা কম্পিটারে অবশ্যই একটি এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিত। কিন্তু আমাদের অনেকেরই এন্টিভাইরাস নেই, আবার যাদের আছে তাদের এণ্টিভাইরাস এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তারা আর আপগ্রেড করেননি। কিন্তু ইন্টারনেট অনেক পাওয়ারফুল এন্টিভাইরাস ফ্রীতে পাওয়া যায়। আপনি চাইলে সেখান থেকেও একটি ইউজ করতে পারেন।

৩। সফটওয়্যার আপডেটেড রাখা
আপনি আপনার পিসিতে যে সফটওয়্যার গুলো ইউজ করেন সেগুলোতে প্রতিনিয়ত বাগ, ভালনারেবিলিটি পাওয়া যায়, তাই সফটওয়্যার নির্মাতারা এগুলো আপডেট করতে থাকে, তাই আপনারও উচিত সব সময় আপডেটেড সফটওয়্যার ইউজ করা।

৪। জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
আপনি, আমি, আমরা নরমাল ইউজাররা সাধারণত খুব দুর্বল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করি যা হ্যাকাররা খুব সহজেই বের করে ফেলতে পারে। এমন অনেক সফটওয়্যার আছে যা আপনার পসিবল পাসওয়ার্ড কম্বিনেশন বের করে ফেলতে পারে। এটিকে বলা হয় ব্রুটফোর্স টেকনিক। আপনার পাসওয়ার্ড যদি ৪-৫ ক্যারেক্টার এর হয় তাহলে এটি তা বের করে ফেলতে পারবে। এগুলো ব্রেক করতে পারেনা যে পাসওয়ার্ড ৮-৯ ক্যারেক্টার এর হয় সাথে বড় হাতের, ছোট হাতের অক্ষরের কম্বিনেশন থাকে। পাসওয়ার্ড কতটা শক্তিশালী তা চেক করার জন্য অনলাইনে অনেক টুলস রয়েছে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি কম্পিউটার টিপস যা সকলের মেনে চলা উচিত।

৫। টোটালি ডিফারেন্ট পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
আমাদের একটি কমন সমস্যা হল আমরা সব জায়গায় সব সাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করি যা মোটেও উচিত নয়। যদিও প্রত্যেকটা একাউন্ট এর জন্য আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড মনে রাখা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। কিন্তু আপনি মনে রাখার জন্য একটা প্যাটার্ন তৈরী করে নিতে পারেন। অথবা পাসোয়ার্ড ম্যানেজার ইউজ করতে পারেন।

৭। সবসময় সতর্ক থাকা
অবশেষে হ্যাকিং থেকে বাঁচতে চাইলে সব সময় সতর্ক থাকতে হবে, নেট ব্রাউজ করার সময়, কোন ফাইল ইন্টারনেট  এ আদান প্রদান করার সময়। সবসময় সফটওয়্যার এর সোর্স ওয়েবসাইট চেক করা।

আর সবচেয়ে বড় কথা হল, কোন অ্যামেচার হ্যাকার আপনার কিছু করতে পারবে না, আর কোন প্রফেশনাল হ্যাকার আপনাকে হ্যাক করার সময় কোথায়? সো চিল।

আপনি মনে হয় খেয়াল করেননি উপরে একটি টিপস কম দেয়া হয়েছে। যাই হোক ১ট টিপস এর পরিবর্তে নিচে ২টি টিপস দিয়ে দিলাম।

এন্টিভাইরাস ছাড়াই ভাইরাস দূর করুন

কম্পিউটার এর ফাইল হাইড করুন এপস ছাড়া


পোস্টটি ভাল লাগবে আশা করি। এর বাইরে যদি কোন সিকিউরটি টিপস আপনার জানা থাকে তাহলে কমেন্ট এ জানান। আর সবাইকে সতর্ক করার জন্য পোস্টট শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।

ইউটিউব ভিডিও দেখুন VLC Media Player এ - ইজি ট্রিকস!

 

 ইউটিউব ভিডিও দেখুন VLC Media Player এ

ইউটিউব ভিডিও দেখুন ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার এ


ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার এ প্রায় সব ফরম্যাট এর ভিডিওই চলে। এ কারনেই মনে হয় ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার সবচেয়ে প্রেফারেবল। কিন্তু আপনি কি জানেন, ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ারে ইউটিউব ভিডিও পর্যন্ত দেখা যায়? হ্যাঁ, এই প্লেয়ারে ইউটিউব ভিডিও দেখা যায়। ইউটিউব ভিডিও দেখার জন্য ব্রাউজার এর প্রয়োজন নেই, ভিএলসিই সেই কাজটি করে দিবে। আপনি শুধু সিংগেল ইউটিউব ভিডিও না, এমনকি ইউটিউব প্লেলিস্ট ও এখানে দেখতে পারবেন। এছাড়াও আরও কিছু সুবিধা আছে, যেমনঃ
  • কোন এড ছাড়াই ভিডিও দেখতে পারবেন।
  • লুপ বাটন ইউজ করে ভিডিও রিপিট করতে পারবেন।
  • ভিডিওর স্পীড বাড়াতে অথবা কমাতে পারবেন।
  • ভিডিওর যে কোন অংশের স্ন্যাপশট নিতে পারবেন।

    কিভাবে ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ারে ইউটিউব ভিডিও দেখবেন

    স্টেপ - ১
    প্লেয়ারটি ওপেন করুন, File>Open Network এ ক্লিক করুন অথবা কীবোর্ডে Ctrl+N চেপে নেটওয়ার্ক ইউয়ারএল ডায়লগ বক্স ওপেন করুন।

    স্টেপ - ২
    ইউটিউব ওপেন করুন, যে ভিডিওটি  ভিএলসিতে দেখতে চান সেটি সিলেক্ট করুন,ভিডিওটির ইউয়ারএল কপি করে ডায়লগ বক্সে পেস্ট করুন। এবং প্লে বাটনে ক্লিক করুন।

    স্টেপ - ৩
    আপনার ভিডিওটি এনজয় করুন।

    খুব সহজ তাই না? এবার দেখব,

    ভিএলসি প্লেয়ারে কিভাবে ইউটিউব প্লেলিস্ট দেখবেন

    স্টেপ - ১
    ইউটিউব প্লেলিস্ট দেখতে হলে একটি এডঅন ইউজ করতে হবে, সুতরাং, এখানে ক্লিক করুন তারপর ভিএলসি প্লেয়ার এডঅন ডাউনলোড পেজ এ যান, সেখানে এডঅনটি VLC Playlist Parser নামে পাবেন। তবে এ জন্য আপনাকে লেটেস্ট ভার্সন এর ভিএলসি প্লেয়ার ইউজ করতে হবে।

    স্টেপ - ২
    এডঅনটি ডাউনলোড করুন। এডঅনটি কপি করে পেস্ট করুন ভিডিও ইন্সটলেশন ফোল্ডার এ। এটা এরকম হতে পারে, C:\Program Files\VideoLAN\VLC\lua\playlist.

    স্টেপ - ৩
    সবকিছু সেটাপ করা শেষ। এবার প্লেয়ারটি ওপেন করুন, Ctrl+N চেপে ডায়লগ বক্স ওপেন করুন। প্লেলিস্ট এর ইউআরএল টি কপি করে পেস্ট করুন। তারপর Play বাটন এ ক্লিক করে ভিডিও দেখা শুরু করুন।


    এটাই ছিল ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার এ ইউটিউব ভিডিও দেখার টিউটোরিয়াল


    আরও পড়ুন-
    কম্পিউটারে ফোল্ডার হাইড করুন কোন এপস ছাড়া
    কম্পিউটার থেকে ভাইরাস দূর করুন ১ মিনিটেই

    আশা করি ইউটিউব ভিডিও লাভারদের কাছে টিপসটি ভাল লাগবে। ভাল লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

    কম্পিউটার থেকে ভাইরাস দূর করুন এন্টিভাইরাস ছাড়াই!

     

    পিসি থেকে ভাইরাস দূর করুন এন্টিভাইরাস ছাড়া

    ভাইরাস দূর করুন এন্টিভাইরাস ছাড়া

    এন্টিভাইরাস এর কিছু ক্ষতিকর দিক

    আপনার কম্পিউটার যখন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হবে তখন আপনার কম্পিউটার অসংলগ্ন কমান্ড দেয়া শুরু করবে। যেমন ধরুন, আপনার কম্পিউটার যদি Autorun.inf ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয় তাহলে অস্বাভাবিক কিছু দেখতে পাবেন আপনার পিসিতে। যেমন,
    অনেকগুলো খালি ফোল্ডার ক্রিয়েট হবে।
    আপনার ফোল্ডার গুলো অন্য ভাষায় রিনেম হয়ে যাবে এবং আপনি চাইলেও এগুলো ডিলিট করতে পারবেন না।
    অনেকগুলো শর্টকাট ক্রিয়েট হয়ে যাবে।
    ড্রাইভ অথবা ফোল্ডার ওপেন করতে দিবে না।
    আপনার পিসি স্লো হয়ে যাবে।
    আপনার ল্যাপটপে কোন এপস চালু করলে হ্যাং করা শুরু করবে।

    কিভাবে এন্টিভাইরাস ছাড়া ভাইরাস দূর করবেন

    এ রকম ভাইরাস গুলো দূর করার জন্য আমরা কমান্ড প্রমট ইউজ করব। নিচের স্টেপ গুলো ফলো করুনঃ

    মেথড - ১
    সর্বপ্রথমে Windows+R চেপে Run প্রোগ্রামটি চালু করুন। তারপর টাইপ করুন CMD এবং Enter প্রেস করুন।
    তারপর ভাইরাস আক্রান্ত ড্রাইভটি সিলেক্ট করুন, যেমন, যদি আপনার D ড্রাইভটি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয় তাহলে টাইপ করুন D: এবং Enter প্রেস করুন।
    তারপর টাইপ করুন, -h -r -s autorun.inf এবং Enter প্রেস করুন। এন্টার প্রেস করলে এটা আপনাকে হিডেন Autorun.inf ভাইরাস দেখাবে।
    তারপর টাইপ করুন Del autorun.inf এটি autorun.inf ভাইরাসটি ডি্লিট করে দিবে যদি ঐ ড্রাইভে ভাইরাসটি থাকে।
    এভাবে অন্য ড্রাইভগুলো তে এই স্টেপ টি রিপিট করুন।

    সবগুলো ড্রাইভ এ এপ্লাই করার পর আপনার ল্যাপ্টপ/কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। তাহলেই আপনি এই ভাইরাসটি থেকে মুক্ত হতে পারবেন।

    মেথড - ২
    উপরের মত করে Run প্রোগ্রাম ওপেন করে CMD টাইপ করে Enter প্রেস করুন।
    আক্রান্ত ড্রাইভটি সিলেক্ট করে টাইপ করুন -s -h *.* /s /d এবং এন্টার প্রেস করুন।
    তারপর টাইপ করুন dir এবং Enter প্রেস করুন। চেক করুন সেখানে autorun.inf ফাইল আছে কিনা? যদি ফাইল থাকে তাহলে ফাইলটি রিনেম করুন এটা লিখে Rename Autorun.inf auto তারপর Enter প্রেস করুন।

    এবার আপনি আপনার ড্রাইভগুলো ইউজ করতে পারবেন অটোরান ভাইরাস ছাড়াই।

    এগুলো ছিল সহজে ভাইরাস দূর করার উপায়


    আরও পড়ুন-
    কম্পিটার ফোল্ডার হাইড করুন কোন সফটওয়্যার ছাড়া
    ইন্টারনেট থেকে আয় করার সহজ উপায়


    ভাল লেগেছে কিনা কমেন্ট করে জানাবেন, চাইলে ফেসবুকে শেয়ার করতে পারেন, আমাদের অন্যান্য পোস্টগুলো চেক করে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ।

    কম্পিউটারে ফোল্ডার হাইড করুন একদম সহজেই কোন সফটওয়্যার ছাড়া !!!

    কম্পিউটারে ফোল্ডার হাইড করবেন কিভাবে
    ফোল্ডার হাইড/আনহাইড করা 

    কম্পিউটারে ফোল্ডার হাইড করুন একদম সহজেই কোন সফটওয়্যার ছাড়া


    কম্পিটারে ফোল্ডার হাইড এবং আনহাইডের জন্য অনেক উপায় আছে কিন্তু অনেকেই বিভিন্ন সফটওয়্যার ইউজ করে যা কম্পিউটারের  জন্য ক্ষতিকর ও অনিরাপদ। আপনার ব্যক্তিগত ডেটা, ফটো / ভিডিও রক্ষার জন্য এসব ক্ষতিকর ও অনিরাপদ সফটওয়্যার ব্যবহার না করে বরং কমান্ড প্রম্পট (command prompt) ব্যবহার করে ফোল্ডার হাইড এবং আনহাইড করাই নিরাপদ।
    কমান্ড প্রম্পট ব্যবহার করে ফোল্ডার হাইড এবং আনহাইড করতে নিচের ধাপগুলো স্টেপ বাই স্টেপ অনুসরণ করুনঃ

    ধরেন আপনি আপনার D ড্রাইভের abc নামের একটি ফোল্ডারকে হাইড করবেন তাহলে যা করতে হবে তা হলঃ আপনি আপনার কম্পিঊটারের কমান্ড প্রমপট অন করুন [start মেনু থেকে/ windows key+r (রান-এ) গিয়ে cmd লিখে এন্টার চাপুন] উইন্ডোজ সেভেন, ভিস্তা ব্যবহারকারীরা স্টার্ট-এ গিয়ে cmd লিখে সার্চ দিলেও হবে। যে নতুন উইন্ডো আসবে সেখানে এখন আপনি লিখুন “attrib +s +h d:\abc” (কোটেশন ছাড়া লিখবেন) তারপর এন্টার প্রেস করুন, তারপর রিফ্রেশ করলে দেখবেন আপনার ঐ ফোল্ডারটি হাইড হয়ে যাবে এখন ঐ ফোল্ডারটি আবার পুনরায় ফেরত আনতে চাইলে কমান্ড প্রমপট-এ লিখুন “attrib –s –h d:\abc” (কোটেশন ছাড়া লিখবেন) এবং এন্টার প্রেস করুন। কেউ যদি ফোল্ডার অপসন থেকে show hidden file সেটিংস ইউজ ও করে তাও এই ফোল্ডারটি দেখা যাবে না। এই পদ্ধতিতে আপনি চাইলে কোন ফাইলও হাইড করতে পারবেন যেমন- abc নামক একটি ডকুমেন্ট ফাইলকে হাইড করার পদ্ধতি হবে এরকম- “attrib +s +h d:\abc.doc” (কোটেশন ছাড়া লিখবেন) আর ফাইলটি ফিরিয়ে আনার পদ্ধতি ঠিক ঐ আগের মতন ই শুধু “attrib -s -h d:\abc.doc” (কোটেশন ছাড়া লিখবেন) লিখে এন্টার করবেন ব্যস কাজ শেষ।



    ভিডিওতে দেখুন বিস্তারিতঃ

    সতর্কতাঃ
    এই পদ্ধতিতে আপনাকে ঐ ফাইল/ফোল্ডারটির নাম মনে রাখতে হবে অথবা কোথাও লিখে রাখতে হবে।


    আরও পড়ুন-
    কম্পিউটার এর ভাইরাস দূর করুন এক ক্লিকেই 

    ফেসবুকে শেয়ার করুন।
    Contact Me

    Adress/Street

    12 Street West Victoria 1234 Australia

    Phone number

    +(12) 3456 789

    Website

    www.johnsmith.com