John Doe

Engineer

Developer

Freelancer

Coder

I'm John Doe,
Web Designer & Web Developer
from United States, California.

I have rich experience in web site design & building and customization. Also I am good at html, css, javascript, wordpress, php, jquery, bootstrap. I love to talk with you about our unique approach. Feel free to contact me writing an email with your project idea.

What I Do
UI/UX Design

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Brand Identity

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Web Design

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Mobile Apps

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Analytics

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Photography

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudantium, totam rem aperiam.

Recent Works
Showing posts with label ইন্টারনেট টিপস. Show all posts
Showing posts with label ইন্টারনেট টিপস. Show all posts

ফেসবুক প্রোফাইল লক করার উপায়

সহজে ফেসবুক প্রোফাইল লক করার উপায়

ফেসবুক ইউজারদের ভাল ইউজার এক্সপেরিয়েন্স দেয়ার জন্য এবং ইউজারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সব সময় নতুন নতুন আপডেট নিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় কিছুদিন আগে এনেছিল প্রোফাইল পিকচার গার্ড অপশনটি। এই ফিচার ইউজ করলে ফেসবুক ইউজার এর প্রোফাইল পিকটি তার ফ্রেন্ডলিস্ট এর বাইরে কেউ ভাল রেজ্যুলেশনে দেখতে পেত না। কিন্তু চাইলে প্রোফাইলটি দেখতে পেত। কিন্তু সর্বশেষ যে আপডেটটি এনেছে এতে পুরো প্রোফাইলটি লক করার ব্যবস্থা রয়েছে।

facebook profile lock tutorial in bangla

ফেসবুক প্রোফাইল লক করব কিভাবে?

এই আপডেট আসার পর সবার মনে একই প্রশ্ন ফেসবুক প্রোফাইল লক করে কিভাবে? আজকের এই পোস্ট এ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে ফেসবুক প্রোফাইল লক করতে হয়। প্রোফাইল লক অপশনটি এখন পর্যন্ত সবার আইডিতে এভেইলেবল হয়নি। এটা অনেকের প্রোফাইলে অটোমেটিক চলে এসেছে। আবার অনেকের প্রোফাইলে আসেনি। যাদের এসেছে তারা সেখানে ক্লিক করে সেটিংস অন করে নিলেই হয়ে যেত। কিন্তু যাদের নটিফিকেশিন আসেনি তারা কিভাবে করবে তাদের জন্যই আজকের এই টিউন।

কিভাবে ফেসবুক প্রোফাইল লক করা যায়

যাদের আইডিতে প্রোফাইল লক অপশনটি চালু করা আছে তাদের আইডিতে যেতে হবে। মোবাইল অথবা পিসি যেকোন একটা থেকে গেলেই হবে। যাওয়ার পর লেখা আসবে This Profile Is Locked. তারপর This profile is locked অথবা Try It এ ক্লিক করলে নতুন একটা অপশন আসবে। সেখান থেকে Lock your profile এ ক্লিক করে আপনার প্রোফাইলটি লক করতে পারবেন।





এছাড়াও, নিচের লিংক এ গিয়ে আপনি আপনার প্রোফাইলটি লক করতে পারবেন (যদি আপনার প্রোফাইলটি লক করার জন্য এভেইলএবল হয়)
https://www.facebook.com/help/196419427651178

আরো একটি উপায় হচ্ছে, যাদের আইডিতে এই অপশনটি চালু হয়েছে তারা তাদের ফ্রেন্ডলিস্ট এর সবাইকে লক করার জন্য ইনভাইত করতে পারবে। ইনভাইট করার পর যাদের প্রোফাইলটি লক করার জন্য এভেইলএবল তারা লক করতে পারবেন।

ফেসবুক আইডি লক করার নিয়ম

ফেসবুক প্রোফাইল লক করার পর আপনার সব পোস্ট পাবলিক থেকে ফ্রেন্ডস হয়ে যাবে। এবং আপনার পরবর্তী পোস্টগুলোও পাবলিক হয়ে শেয়ার হবে না। আপনার ইন্ট্রো ছাড়া এবাউট এর সবকিছু পাবলিক থেকে ফ্রেন্ডস হয়ে যাবে। মোটকথা, আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট এর বাইরের কেউ আপনার প্রোফাইল এর কিছু দেখতে পাবেনা। এমনকি আপনার প্রোফাইল পিক, কভার পিক ও দেখতে পাবে না। তাই আপনি যদি পাবলিক প্রোফাইল অথবা সেলেব্রিটি অথবা সবার সাথে সবকিছু শেয়ার করতে চান এমন কেউ হন তাহলে এই ফিচারটি আপনার জন্য নয়। আর যদি কেউ শুধুমাত্র তার সব এক্টিভিটিজ শুধুমাত্র ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করতে চান তাহলে এই ফিচারটি আপনার জন্য বেশ ভাল।

কিভাবে ফেসবুক আইডি লক করা যায়
উপরের ৩ টি উপায়ে ফেসবুক আইডি লক করা যায়। সংক্ষেপে বললে,
১। যাদের প্রোফাইল লক করা আছে এমন কারো আইডিতে গিয়ে করা।
২। ফ্রেন্ড এর ইনভাইট এর মাধ্যমে
৩। ফেসবুক হেল্প মেন্যুর অপশন থেকে (যার লিংক উপরে দেয়া আছে)

আশা করি আপনারা বুজতে পেরেছেন। এরপর ও কিছু না বুঝে থাকলে কমেন্ট করুন। আমি রিপ্লাইতে জানিয়ে দেয়ার চেষ্টা করব। পোস্টটি ভাল লাগলে আপনার ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। এছাড়াও আমাদের পরবর্তী পোস্টগুলোর আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক দিয়ে রাখতে পারেন। এমনকি আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি থেকেও ঘুরে আসতে পারেন। ধন্যবাদ।

ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার পদ্ধতি - সহজ কয়েকটি উপায়


ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার পদ্ধতি

আপনারা সবাই জানেন ইউটিউব (Youtube) সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট। ইউটিউব (Youtube) কিন্তু সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগলেরই একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ এখানে ভিডিও দেখে। এখানে ইউজাররা ভিডিও দেখার পাশাপাশি ভিডিও আপলোড করা, অন্য কারো ভিডিওতে লাইক, কমেন্ট করার সুযোগ পায়। এমনকি আমাদের ইন্টারনেট এ থাকার সময় অনেকটাই কেটে যায় এই ইউটিউব এ। কিন্তু আমরা অনলাইনে ইউটিউব ভিডিও দেখার পাশাপাশি অফলাইনেও ভিডিও দেখতে চাই। সে জন্যই ভিডিও ডাউনলোড করার উপায় নিয়ে আমার আজকের এই টিউন।

ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার সহজ উপায়

ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার সহজ উপায়

ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। যেমন অনলাইন টুলস এর সাহায্যে, লিংক চেঞ্জ এর মাধ্যমে অথবা সফটওয়্যার এর মাধ্যমে। কিন্তু তার মধ্যে সহজ উপায়গুলো আমি আপনাদের জানাব। তো চলুন শুরু করা যাক।


কম্পিউটারে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করবেন কিভাবে

১। লিংক চেঞ্জ করার মাধ্যমে
যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান সেই ভিডিওটির এড্রেস বার এ যান, এড্রেস বার এ গিয়ে  www. এর পর  ss দিয়ে এন্টার করুন। তাহলে একটি নতুন পেজ আসবে সেখান থেকে আপনার পছন্দের ফরম্যাট অনুসারে ডাউনলোড করে নিন। যেমন,

ভিডিও এড্রেস যদি হয়,  www.youtube.com/blahblah
তাহলে আপনারা  ss এড করলে হবে  www.ssyoutube.com/blahblah




২। অনলাইন টুলস এর সাহায্যে
বিভিন্ন অনলাইন টুলস আছে যেগুলো থেকে আপনি বিভিন্ন ফরম্যাট এ ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন। যেমন, যেই ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান ইউটিউব থেকে সেটির লিংক কপি করে নিচের যে কোন একটি সাইটে গিয়ে পেস্ট করুন। তারপর আপনার পছন্দের ফরম্যাট এ সেভ করে নিন।

Apowersoft Online Video Downloader

Clip Converter

KeepVid

৩। সফটওয়্যার এর সাহায্যে
অনলাইন থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য একটি জনপ্রিয় সফটওয়্যার হচ্ছে আইডিএম (IDM)। কিন্তু এটি মাত্র  ৩০ দিনের জন্য ফ্রী ইউজ করতে দেয় তারপর পেইড ভার্সন কিনতে বলে। অবশ্য অনেকেই ইন্টারনেট থেকে পাইরেটেড কপি নামিয়ে ইউজ করে।
আপনি যদি এইসব ঝামেলায় না যেতে চান তাহলে আপনার জন্য খুব সুন্দর একটা সফটওয়্যার আছে। আমিও এটা ইউজ করি। নাম হচ্ছে ঈগলগেট (Eagleget). এটা সম্পূর্ণ ফ্রী আপনি চাইলে এটা নামিয়ে ব্যবহার করে দেখতে পারেন।




৪। ফায়ারফক্স (Firefox) এক্সটেনশন এর মাধ্যমে
ফায়ারফক্স ব্রাউজার এর জন্য একটি এক্সটেনশন আছে। এর সাহায্যে আপনি যে কোন ওয়েবসাইট থেকে ভিডিও নামাতে পারবেন। এটি ইন্সটল করার পর ব্রাউজার এ একটি আইকন শো করবে। যে সকল সাইটে ভিডিও ফাইল আছে সেই সকল সাইটে এটা এনিমেট করতে থাকবে তখন সেখানে ক্লিক করে সেভ করতে হবে।

এক্সটেনশনটি এড করুন এখান থেকে

মোবাইলে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করবেন কিভাবে

১। লিংক এর সাহায্যে
আপনি যদি আপনার ফোনে কোন সফটওয়্যার ইউজ করতে না চান তাহলে গুগল ক্রোম ব্রাউজার এ গিয়ে Youtube এ যাবেন। তারপর যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান সেই ভিডিওর এড্রেস বার এ যাবেন। সেখানে  www. অথবা  m. এর পরে  ss এড করে উপরের দেখানো নিয়মে সেভ করতে পারেন।

২। এন্ড্রয়েড এপস এর সাহায্যে
এন্ড্রয়েড মোবাইল থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য বেশ কিছু সফটওয়্যার রয়েছে। আমি আপনাদের জনপ্রিয় ২টি সফটওয়্যার এর কথা বলব। একটি হচ্ছে ভিডমেট (Vidmate) এবং আরেকটি হচ্ছে টিউবমেট (Tubemate)। যে কোন একটি এপ ইন্সটল করে এপ থেকে আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।



ভিডমেট ইন্সটল করুন এখান থেকে
টিউবমেট ইন্সটল করুন এখান থেকে

ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করব কিভাবে

উপরে বেশ কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করলাম। যে কোন একটি উপায় অব্লম্বন করে আপনি ভিডিও ডাউনলোড করতে পারেন।


ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার নিয়ম সম্পর্কে জানলেন

আরও দেখতে পারেন-



আজ এ পর্যন্তই। আশা করি পোস্টটি আপনাদের ভাল লাগবে। কমেন্ট করে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। আপনার বন্ধুদের জানাতে চাইলে ফেসবুকে শেয়ার করতে পারেন।

ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ভিডিও ডাউনলোড করুন আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে - একদম সহজেই


ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ভিডিও ডাউনলোড করুন আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে

ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার বেশ কয়েকটি সহজ উপায় রয়েছে কিন্তু ফেসবুক অথবা টুইটার থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার সহজ উপায় নেই বললেই চলে। তাই আজকে আপনাদের দেখাব কিভাবে ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম অথবা টুইটার থেকে ভিডিও ডাউনলোড করা যায়।
ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড করুন আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে


ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার উপায়

ফেসবুক এপস থেকে সরাসরি ভিডিও ডাউনলোড করার কোন উপায় নেই। তাই ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য আমরা একটি থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করব। সফটওয়্যার টির নাম হচ্ছে  MyVideoDownloader। এপটি ইন্সটল করবেন তারপর আপনার ফেসবুক একাউন্ট দিয়ে লগিন করবেন। ভয় পাওয়ার কিছু নেই আপনার একাউন্ট হ্যাক হবে না। লগিন করার পর আপনার নিউজফিড দেখতে পাবেন। তারপর আপনি যেই ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন সেখানে যাবেন। ভিডিওর মধ্যে ট্যাপ করলে একটা মেনু আসবে, সেখানে প্লে/ডাউনলোড অপশন থেকে আপনি ডাউনলোড এ ক্লিক করলেই ভিডিও ডাউনলোড হওয়া শুরু হবে। ডাউনলোড শেষ হলে এপ এর মেনুতে গিয়ে ডাউনলোডস এ গেলে ভিডিওটি দেখতে পাবেন।

এপটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে  MyVideoDownloader


ইন্সটাগ্রাম থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার উপায়

ইন্সটাগ্রাম থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্যও একটি থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। InShot Inc. কোম্পানীর তৈরী করা এই সফটওয়্যারটির নাম Video Downloader for Instagram। এই এপটির সাহায্যে আপনি ভিডিও  ডাউনলোড করা ছাড়াও ইমেজ ডাউনলোড করা, রিপোস্ট করা, অন্য এপ এ মিডিয়াগুলো শেয়ার করা এই কাজ গুলো করতে পারবেন। এপটি ইন্সটল করবেন। তারপর আপনার ইন্সটাগ্রাম এপ এ যাবেন। যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান সেই ভিডিওর মেনুতে ট্যাপ করুন। মেনু থেকে Copy Share URL এ ক্লিক করুন। ক্লিক করার পরপরই নিচের দিকে ভিডিও ডাউনলোডার এপ এর একটি আইকন আসবে আইকন এ ক্লিক করলে আপনাকে ডাউনলোডার এপ এ নিয়ে যাবে এবং আপনার ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে। ডাউনলোড শেষ হওয়ার পর  History ট্যাব এ গেলে আপনার ভিডিওটি দেখতে পাবেন।
যদি নিচের দিকে ডাউনলোডার আইকন টা না দেখেন তাহলে আপনি Copy Share URL এ ক্লিক করে ডাউনলোডার এপটি ওপেন করলেই অটোমেটিক ডাউনলোড হওয়া শুরু হবে।

এপটি ইন্সটল করুন এখান থেকে  Video Downloader for Instagram


টুইটার থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার উপায়

টুইটার থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য আমরা যে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করব সেটির নাম হচ্ছে  Video Downloader for Twitter। এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি ভিডিও ডাউনলোড করার পাশাপাশি টুইটার থেকে GIFs ও ডাউনলোড করতে পারবেন। তাই আগে এপটি ইন্সটল করে নেন। তারপর আপনার মোবাইল এর টুইটার এপ এ যান সেখান থেকে যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন সেটি ওপেন করুন। নিচের দিক থেকে শেয়ার বাটুনে ক্লিক করুন। তারপর শেয়ার মেনু থেকে  Video Downloader for Twitter সিলেক্ট করুন। এরপর একটি পপ আপ আসবে সেখান থেকে ভিডিও ফরম্যাট সিলেক্ট করে ডাউনলোড এ ক্লিক করুন। এবং ভিডিও ডাউনলোড শুরু হবে। ডাউনলোড করা ভিডিও খুঁজে পাওয়ার জন্য এপটিতে যান সেখানে নিচের দিকে ভিডিওস অপশনে গেলেই আপনার ভিডিওগুলো দেখতে পাবেন।

সফটওয়্যারটি ইন্সটল করুন এখান থেকে  Video Downloader for Twitter


এভাবেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড ফোনে ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম এবং টুইটার থেকে ভিডিও ডাউনলোড করতে পারেন।

এই পোস্টগুলোও পড়ে দেখতে পারেন-

পোস্টটি সম্পর্কে আপনার মতামত জানানোর জন্য কমেন্ট করুন। আপনার বন্ধুদের জানানোর জন্য পোস্টটি শেয়ার করুন।

২০ টি জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট - সবগুলো আপনার জানা আছে?


২০ টি জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট

মানুষ সামাজিক জীব। সে জন্যই মানুষ তাদের মতামত, আইডিয়া শেয়ার করার সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তৈরি করতেছে এবং সেগুলোতে অংশগ্রহণ করতেছে। ইন্টারনেট এর অগ্রগতির সাথে সাথে মানুষ দেশ এবং দেশের মানুষের সাথে অনলাইন কমিউনিটি, ফোরাম গড়ে তুলেছে।
বর্তমানে মোটামুটি সব মানুষই সোশ্যাল নেটওয়ার্ক বলতে "ফেসবুক" কে বুঝে। কিন্তু এর বাইরেও আরও অনেক সোশ্যাল নেটওয়ার্ক রয়েছে। আজ আমি আপনাদের সাথে তেমনি জনপ্রিয় ২০ টি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এর কথা জানাব।

২০ টি জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট


২০ টি জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট লিস্ট

১। ফেসবুক - Facebook
আগেই উল্ল্যেখ করেছি, মোটামুটি প্রত্যেক ইন্টারনেট ইউজার এর কাছেই ফেসবুক একটি পরিচিত নাম। ফেসবুক এমন একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেখানে কয়েকশ মিলিয়ন লোক তাদের চিন্তা ভাবনা শেয়ার করার জন্য কানেক্টেড হয়। ফেসবুক এ সাইন আপ করার পর ইউজার তার প্রোফাইল তৈরী করা সহ ছবি আপলোড, ভিডিও আপলোড এবং চ্যাট করতে পারে। এছাড়াও বিভিন্ন পেজ এবং গ্রুপ এর মাধ্যমেও কমিউনিটি বিল্ড আপ করার সুযোগ থাকে।

২। টুইটার - Twitter
টুইটার ও একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। আপনারা অনেকেই এটির ব্যাপারে জানেন তবে এটি ফেসবুক থেকে টোটালি আলাদা। এখানে আপনি খুবই সংক্ষিপ্ত আকারে (১৪০ ক্যারেক্টার) আপনার মতামত জানাতে পারবেন। টুইটার কমিউনিটি গড়ে তোলার উপায় হচ্ছে আপনি কাউকে ফলো করবেন এবং অন্যরা আপনাকে ফলো করবে। টুইটার এর একটি বিশেষ ফিচার হচ্ছে হ্যাশট্যাগ। আপনি হ্যাশট্যাগ ইউজ করে নির্দিষ্ট একটা টপিক এর উপর টুইট করতে পারবেন অথবা টুইট খুঁজতে পারবেন।

৩। ইউটিউব - Youtube
যদিও ইউটিউবকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয় না কিন্তু এটি আসলে একটি সামাজিক যোগাযোগ এরও মাধ্যম। আমরা সবাই এটিকে ভিডিও শেয়ারিং সাইট হিসেবেই জানি। আপনি ইউটিউবে ভিডিও দেখার পাশাপাশি ভিডিও শেয়ার করতে পারবেন, ভিডিও আপলোড করতে পারবেন, লাইক, কমেন্ট করতে পারবেন।

৪। লিংকডইন - LinkedIn
এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি ডিজাইন করা হয়েছে মূলত প্রফেশনালদের জন্য। এখানে মূলত বিভিন্ন প্রফেশন এর মানুষদের মধ্যে ইন্টারঅ্যাকশন হয়। লিংকডইন প্রোফাইল টা তৈরী হয় মূলত আপনার ক্যারিয়ার, জব, পড়াশুনা এবং স্কিল এর উপর ভিত্তি করে। অনেকেই এখন সিভি পাঠানোর পরিবর্তে তার লিংকডইন প্রোফাইল সেন্ড করে থাকে।

৫। গুগল প্লাস - Google Plus
গুগল প্লাস নতুন সোশ্যাল নেটওয়ার্কগুলোর মধ্যে অন্যতম। গুগল ২০১১ সালে এটি শুরু করে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এটি অনেক জনপ্রিয়তা পায়।

৬। ইন্সটাগ্রাম - Instagram
ইন্সটাগ্রামকেও অনেকটা নতুন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক বলা চলে। এটি ২০১০ সালে এর যাত্রা শুরু করে। ইন্সটাগ্রাম মূলত একটি স্মার্টফোন এপ্লিকেশন। এখানে আপনি ছবি আপলোড করতে পারবেন, ছবিতে ডিজিটাল ফিল্টার এড করতে পারবেন এবং তারপর অন্য ইন্সটাগ্রাম ইউজার অথবা অন্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এ শেয়ার করতে পারবেন। অবশ্য ২০১২ সালে ফেসবুক এটি কিনে নেয়।

৭। পিন্টারেস্ট/পিনারেস্ট - Pinterest
পিন্টারেস্ট একটি ইউনিক সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট। এখানে আপনার একটি ভার্চুয়াল পিনবোর্ড থাকবে যেখানে আপনি ইমেজ কালেকশন ক্রিয়েট করা, ম্যানেজ করা এবং শেয়ার করতে পারবেন।

৮। ইয়েল্প - Yelp
ইয়েল্প আরও একটি ইউনিক সোশ্যাল নেটওয়ার্ক। এটি ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটা আপনাকে লোকাল বিজনেস, যেমন, রেস্টুরেন্ট, হেয়ার সেলুন, সুপারশপ খুঁজে পেতে সাহায্য করে। অবশ্য বাংলাদেশ এ এর তেমন একটা প্রচলন নেই।

৯। সাউন্ডক্লাউড - SoundCloud
সাউন্ডক্লাউড একটি অনলাইন ভিত্তিক সাউন্ড শেয়ারিং সাইট। আপনি এখানে মিউজিক অথবা অডিও রেকর্ড করতে পারবেন, আপলোড করতে পারবেন এবং আপনার তৈরী করা অডিও অথবা মিউজিক শেয়ার করতে পারবেন।

১০। ফ্লিকার - Flickr
ফ্লিকার হচ্ছে অনলাইন ফটো শেয়ারিং এবং ইমেজ/ভিডিও হোস্টিং সার্ভিস সাইট। এখানে আপনি আপনার ছবি/ভিডিও আপনার ফ্রেন্ড অথবা অন্য যে কারো সাথে শেয়ার করতে পারবেন, আপনার মত করে ছবিগুলো সাজিয়ে রাখতে পারবেন। আর আপনি চাইলে অন্যান্য যে কারো ছবিও দেখতে পাবেন।

আরও ১০ টি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম


১১। বাডু - Badoo
বাডু ২০০৬ সালে এর কার্যক্রম শুরু করে। এবং আজ এটি অন্যতম বড় একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এটি মূলত ডেটিং ফোকাসড অনলাইন সার্ভিস। আপনি এখানে অন্যদের সাথে চ্যাট করতে পারবেন, ডেট ফিক্সড করতে পারবেন, অন্যদের ছবিতে রেটিং দিতে পারবেন। এটি নিয়ে অনেক সমালোচনাও আছে। আর বাংলাদেশ এ এর প্রচলন আছে কিনা আমার জানা নেই।

১২। ফ্লিক্সস্টার - Flixster
ফ্লিক্সস্টার এমন একটি অনলাইন সার্ভিস যেখানে আপনি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর পাশাপাশি মুভি রিভিউ করতে পারবেন। একজন ফ্লিক্সস্টার ইউজার হিসেবে আপনি মুভি রিভিউ দিতে পারবেন, নতুন নতুন মুভি ডিসকভার করতে পারবেন, বিভিন্ন মুভি সম্পর্কে জানতে পারবেন।

১৩। ক্লাসমেটস - Classmates
ক্লাসমেটস অন্যতম পুরানো একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এটি ১৯৯৫ সালে এর যাত্রা শুরু করে। এটি মূলত ইউজারদের স্কুল, কলজে, ইউনিভার্সিটির ফ্রেন্ডদের সাথে কানেক্ট থাকার জন্য শুরু হয়। প্রথম দিকে এটি শুধু আমেরিকার মানুষ ইউজ করত। পরে এটি সারাবিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

১৪। মাইস্পেস - Myspace
মাইস্পেস ২০০৩ সালে এর কার্যক্রম শুরু করে। প্রথম দিকে এটি ছিল সবচেয়ে বেশি ভিজিট করা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। পরে আস্তে আস্তে এর জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করে।

১৫। ডেভিয়েন্টআর্ট - deviantART
ডেভিয়েন্টআর্ট ২০০০ সালে শুরু হয়। এই অনালাইন যোগাযোগ মাধ্যমটি শুরু হয় মূলত আর্টিস্ট এবং আর্ট লাভারদের জন্য। এই সম্পর্কিত এটিই সবচেয়ে বড় অনলাইন সাইট। এখানে আর্টিস্টরা তাদের কাজ শোকেস এর মত সাজিয়ে রাখতে পারে, তারা তাদের কাজ সম্পর্কে আলোচনা করতে পারে।

১৬। ফোরস্কয়ার - foursquare
ফোরস্কয়ার লোকেশন বেইজড সোশ্যাল নেটওয়ার্ক। এটি মূলত স্মার্টফোন এবং মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরী করা হয়। এর বিশেষ ফিচার হল "চেক ইন"। এই এপস আপনাকে আপনার নিকটবর্তী ভাল ভাল প্লেসগুলো সাজেস্ট করবে।

১৭। কিউজোন - Qzone
কিউজোন একটি চাইনিজ নেটওয়ার্ক যা টেনসেন্ট নামক একটি কোম্পানী ২০০৫ সালে শুরু করে। এর ইউজাররা এখানে ব্লগ তৈরী করা, ভার্চুয়াল ডায়রী লেখা, বন্ধুদের কাছে ছবি পাঠানো সহ মিউজিক শুনতে পারে।

১৮। হাবু - Haboo
২০০০ সাল থেকে হাবু শুরু হয় এবং এটি ফিনল্যান্ড ভিত্তিক একতি সামাজিক যোগাযোগ এর মাধ্যম। এটি মূলত টিনেজারদের টার্গেট করে তৈরী করা হয়েছে। এটি প্রাইভেসী ইস্যুর কারণে একবার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পরে ইস্যু সল্ভ হওয়ার পর আবার রিস্টার্ট করে।

১৯। হাইফাইভ - hi5
হাইফাইভ আরও একটি জনপ্রিয় অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যম যা ২০০৩ সালে শুরু হয়। এর ফিচারগুলো অন্যান্য সামাজিক সাইটগুলোর মতই। এটি প্রথমদিকে শুধু আমেরিকাতে চলত পরে এটি ল্যাটিন আমেরিকা এবং মংগোলিয়ার দিকেও জনপ্রিয়তা পায়।

২০। ভিমিও - Vimeo
ভিমিও হচ্ছে একটি ভিডিও শেয়ারিং সাইট। এর ফিচারগুলো অনেকটা ইউটিউব এর মত। এর ইউজাররা এখানে ভিডিও দেখার পাশাপাশি ভিডিও শেয়ার করতে পারে, ভিডিও আপলোড করতে পারে। এটি মাত্র ২টি ভাষায় এভেইলএবল ইংলিশ এবং স্প্যানিশ। তারপরও এটি খুবই জনপ্রিয় একটি ভিডিও শেয়ারিং সাইট।

এই ছিল ২০ টি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম


আরও পড়ুন-

পোস্টটি কেমন লেগেছে কমেন্ট করে আপনার মতামত জানান। ভাল লাগলে আপনার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করে বন্ধুদের দেখার সুযোগ দিন।

গুগল এর ১৪ টি ট্রিকস যা আপনার গুগলের ব্যবহার আরও মজাদার করে তুলবে


গুগল এর ১৪ টি মজার ট্রিকস দিয়ে আপনার বন্ধুদের চমকে দিন!

গুগল হচ্ছে সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন। আমাদের কোন কিছুর প্রয়োজন হলেই আমরা গুগলে গিয়ে সার্চ দেই। কিন্তু এই গুগলের রয়েছে মজার কিছু ট্রিকস যা আপনি হয়তো জানেন না। আজকের আর্টিকেল গুগলের মজার ট্রিকস নিয়ে।

গুগল এর ১৪ টি মজার ট্রিকস


গুগল এর ১৪ টি মজার ট্রিক্স

১। আপনি চাইলে গুগলকে টাইমার হিসেবে ইউজ করতে পারবেন। সে জন্য আপনার যা করতে হবে, গুগল এর সার্চ বক্স এ লিখবেন set timer to 8 minutes 12 seconds আপনার যতটুকু টাইম এর জন্য টাইমার সেট করা দরকার ততটুকু লিখে এন্টার চাপুন। তাহলেই আপনার টাইমার চালু হয়ে যাবে। আপনি চাইলে টাইমারটি স্টপ / রিসেট করতে পারবেন।

২। গুগল আপনাকে যে কোন শহরের প্রতিদিনের সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের সময় জানিয়ে দিতে পারবে। তার জন্য আপনাকে টাইপ করতে হবে, sunrise in Dhaka । এই লেখাটি টাইপ করে ওকে করলে গুগল আপনাকে ঢাকার সূর্যোদয় এর সময় জানিয়ে দিবে।

৩। আপনি চাইলে গুগলে হিডেন একটি গেম খেলতে পারেন। সে জন্য আপনাকে টাইপ করতে হবে Zerg rush এবং এন্টার করুন তাহলে আপনার সামনে একটি মজার গেম ওপেন হবে। চাইলে সেটি খেলতে পারেন।

৪। যে কোন দেশের যে কোন সিটির আবহাওয়ার খবর জানতে চাইলে টাইপ করুন Dhaka forecast এতে করে আপনি ঐ সিটির ঐদিনের আবহাওয়ার আপডেট পেয়ে যাবেন।

৫।  নির্দিষ্ট কোন ওয়েবসাইট থেকে কোন কিছু খুঁজতে চাইলে টাইপ করুন site:megatunebd.com computer tips তাহলে গুগল আপনাকে শুধু ঐ নির্দিষ্ট সাইট থেকে রেজাল্ট দেখাবে।

৬। গুগলকে বলুন আপনাকে একটা ট্রিক্স দেখাতে। সেটা কিভাবে করবেন? সার্চ বক্স এ লিখবেন do a barrel roll তারপর এন্টার প্রেস করবেন। রেজাল্ট কি আসল তা জানাতে কমেন্ট করুন।

৭। গুগলের ইমেজ সার্চ বক্সে এ গিয়ে লিখুন Atari Breakout এন্টার করুন। তারপর দেখুন কি হয়।

৮। কোন কোম্পানী সম্পর্কে তথ্য লাগবে? যেই তথ্যটি লাগবে সেটি লিখে কোম্পানির নাম লিখুন যেমন founder Apple দেখুন আপনার কাঙ্ক্ষিত রেজাল্টটি চলে এসেছে।

৯। গুগল আপনার জন্য কনভার্টার হিসেবে কাজ করবে। যেমন লিখুন 172 inches to meters এন্টার করার পর গুগল আপনাকে সঠিক রেজালটটি দেখাবে। এভাবে আপনি চাইলে যে কোন কিছু কনভার্ট করতে পারবেন।

১০। গুগল আপনার জন্য সিম্পল ট্রান্সলেটর হিসেবে কাজ করবে যেমন english to japanese লিখে ইংলিশ এর ঘরে যে কোন একটি সেনটেন্স লিখুন দেখবেন অটোমেটিক জাপানীজ ভাষায় ট্রান্সলেট হয়ে গেছে।

১১। একটা ওয়েবসাইটের সিমিলার অন্য ওয়েবসাইটগুলো খুঁজছেন? তাহলে সার্চ করুন  related: megatunebd.com লিখে।

১২। নির্দিষ্ট কোন ফরম্যাট এর ফাইল এর জন্য সার্চ করতে চাচ্ছেন, তাহলে যেটি দরকার সেটি টাইপ করে তারপর যে ফাইলটি খুঁজছেন তার এক্সটেনশনটি দিয়ে সার্চ করুন। যেমন, bangla song .mp3 এখন গুগল আপনাকে শুধু এমপিথ্রী ফাইলসহ ওয়েবসাইটগুলো দেখাবে। আপনি এটা ট্রাই করে দেখুন - bangla books .pdf ।

১৩। নাম্বারকে ওয়ার্ড এ নিতে চাচ্ছেন? সহজ কোন সমাধান পাচ্ছেন না? এই নিন সমাধান। সার্চ বক্স এ টাইপ করুন  1089675= English এবং এন্টার দিয়ে দেখুন।

১৪। গুগল এর বক্স এ লিখুন Askew এবং এন্টার করুন তারপর কি হয় দেখুন।

গুগলের মজার ট্রিক্সগুলো কেমন লাগলো জানাবেন


মজার মজার সব টিপস পেতে আমাদের সাইটটি বুকমার্ক করে রাখুন



আরও পড়ুন-

পোস্টটি পড়ে মজা পেলে ফেসবুকে শেয়ার করুন।

ফেক ফেসবুক একাউন্ট চিনবেন কিভাবে?

 

ফেক ফেসবুক একাউন্ট চিনবেন কিভাবে?

ফেসবুকে ফেক একাউন্ট খোলা কিছু মানুষের বস অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সম্ভবত ২০-৩০% ফেসবুক একাউন্ট হচ্ছে ফেক একাউন্ট, এর চেয়ে বেশিও হতে পারে। এই ফেক একাউন্ট তৈরী করার সংখ্যা আরও বাড়বে। ফেক একাউন্ট তৈরী করার উদ্দেশ্য হচ্ছে ফেসবুকে স্প্যাম করা এবং ভাইরাস ছড়ানো। বেশিরভাগ মানুষ মেয়েদের নামে ফেক একাউন্ট খোলে পরিচিত মানুষদের সাথে মজা করার জন্য।

ফেক ফেসবুক একাউন্ট চেনার উপায়

ফেসবুক ফেক প্রোফাইলগুলো ডিলিট করেনা কেন?

এত পরিমাণ ফেক একাউন্ট যে, ফেসবুকে চাইলেই সবগুলো ম্যানুয়ালী চেক করে ডিলিট করতে পারেনা। কিন্তু কেউ যদি অপরিচিত মানুষদের অনেক বেশি ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠায় এবং কমেন্ট এ স্প্যামিং করে তাহলে ফেসবুক তার একাউন্ট ব্লক করে দেয়। কিন্তু এরপরও ফেক একাউন্টধারীরা থেমে থাকে না। তারা আবার নতুন করে আইডি খোলে। তাই, আজকে আলোচনা করব কিভাবে ফেক ফেসবুক একাউন্ট চিনবেন।

ফেক ফেসবুক একাউন্ট চেনার উপায়

১। প্রোফাইল পিক
প্রোফাইল পিক দেখেই আপনার ধারণা হয়ে যাবে এটি ফেক একাউন্ট হতে পারে। আপনি শিওর হওয়ার জন্য যা করতে পারেন তা হল,
গুগল ইমেজ এ যাবেন তারপর ক্যামেরা আইকন যেখানে লেখা আছে সার্চ বাই ইমেজ সেখানে ক্লিক করবেন, আপলোড এ ক্লিক করে ইমেজটি আপলোড করবেন, তারপর গুগল আপনাকে দেখাবে পিকটি আগে কোথায় ইউজ হয়েছে।

২। টাইমলাইন
ফেসবুক টাইমলাইনে গেলে ফেসবুক একাউন্ট সম্পর্কে অনেক কিছু জানা হয়ে যায়। বেশিরভাগ ফেক একাউন্ট এ জেন্ডার ফিমেল দেয়া থাকে তাই বলে সব ফিমেল দেয়া আইডিই কিন্তু ফেক আইডি নয়।
যদি ঐ টাইমলাইনের ফটো ফোল্ডারে ২/১ টা পিক থাকে তাও কোন সেলেব্রিটির তাহলে সেটি ফেক একাউন্ট।
যদি ঐ ব্যক্তিটি কোন স্ট্যাটাস আপডেট না দেয়, আর দিলেও কমেন্ট গুলো রিয়েল ফ্রেন্ডদের মত হয় না, তখন ধরে নিতে হবে এটি একটি ফেক প্রোফাইল।
এবাউট সেকশনে গেলেও আপনি বুঝতে পারবেন। যেখানে প্রোফাইল সম্পর্কে কোন ইনফরমেশন দেয়া থাকে না সেটিও ফেক একাউন্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

৩। মেয়েদের প্রোফাইল
বেশিরভাগ ফেক প্রোফাইল মেয়েদের আইডেন্টিটি দিয়ে খোলা হয় এবং সাথে সুন্দর সুন্দর মেয়েদের প্রোফাইল পিক দেয়া থাকে, এমনকি আপনি মোবাইল নাম্বার ও পাবেন তাদের প্রোফাইলে অথচ কোন মেয়েই কিন্তু ফেসবুকে তার মোবাইল নাম্বার শেয়ার করেনা।
একটি মেয়ের একাউন্ট ফ্রেন্ডলিস্ট ফুল এবং অনেক ফলোয়ার ফেক একাউন্ট এর ইঙ্গিত দেয়।

৪। জানুয়ারী মাস এর জন্য ওয়েট করুন
ফেক ফেসবুক একাউন্ট চেনার জন্য জানুয়ারী মাস পর্যন্ত ওয়েট করতে হবে ! জাস্ট কিডিং। বেশীরভাগ ফেক একাউন্টধারী জন্মসাল জানুয়ারী মাসের ১তারিখ দিয়ে থাকে। তাই এটি একটি উপায় ফেক প্রোফাইল চেনার। 

এগুলোই ছিল ফেক ফেসবুক প্রোফাইল চেনার টিপস


আরও পড়ুন-

আশা করি পোস্টটি আপনাদের ভাল লাগবে। কমেন্ট এ আপনাদের মূল্যবান মতামত জানাবেন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু অনলাইন টুলস

 

নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু অনলাইন টুলস


আমরা ল্যাপটপ/মোবাইল ইউজ করতে গেলে প্রতিদিন কোন না কাজের জন্য কিছু টুলস/সফটওয়্যার এর প্রয়োজন হয়। তো আমরা যারা নন টেকি তারা ভারি ভারি সফটওয়্যার গুলো ইউজ করতে হিমশিম খেয়ে যাই, অনেকেই সফটওয়্যার গুলো ইউজ করতে পারিনা, আবার সফটওয়্যার গুলো ল্যাপটপেও থাকে না। এর জন্য খুব সহজ সমাধান হচ্ছে অনলাইন টুলস। মোটামুটি প্রয়োজনীয় টুলসগুলো নিয়েই আজকের আয়োজন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু অনলাইন টুলস

কিছু কিছু টুলস দেখলে আপনার মনে হবে এই সাইট থেকেই সব কিছু করা যাবে, শুধু শুধু এতগুলো সাইট ইউজ করার কি দরকার? কিন্তু আমি এখানে যে কাজের জন্য যেটি পারফেক্ট সেভাবে সাজিয়েছি। ইউজ করার পর আপনি নিজেও বুঝতে পারবেন। চলুন দেখা যাক।

১। Image Converter

ইমেজ এর বেশ কিছু ফরম্যাট রয়েছে। যেমন .jpg .jpeg .png .gif  এরকম আরও অনেক ফরম্যাট। বিভিন্ন কাজের জন্য আমাদের বিভিন্ন ফরম্যাট এর ইমেজ ইউজ করতে হয়। নিচে ২টি টুলস উল্লেখ করলাম। এই ২টি টুলস এর সাহায্যে আপনি ইমেজকে যেকোন ফরম্যাট থেকে যে কোন ফরম্যাট এ কনভার্ট করতে পারবেন।
                                                              Image Converter

২। Image Resizer

বিভিন্ন কাজ এর জন্য ফটো রিসাইজ করতে হয়। কিন্তু আমর সবাই তো ফটোশপ এর কাজ পারিনা। তাই এই টুলস এর সাহায্যে আপনি খুব সহজেই আপনার ছবিটিকে আপনার পছন্দ মত রিসাইজ করে নিতে পারবেন।
                                                             Image Resize Tools

৩। Image Compressor

এর সাহায্যে আপনি যে কোন ছবির সাইজ কমিয়ে ফেলতে পারবেন ছবির কোয়লিটি অক্ষুণ্ণ রেখে। ছবির সাইজ কমবে কিন্তু ছবির কোয়ালিটির কোন হেরফের হবে না। ইউজ করে দেখতে পারেন।
                                                                 Compressor 1
                                                                 Compressor 2
৪। Text to Image
এর সাহায্যে আপনি যে কোন টেক্সট কে ইমেজে অথবা যে কোন ইমেজ কে টেক্সট এ রূপান্তরিত করতে পারবেন।
                                                                Text to Image

৫। Document Converter
এই অনলাইন এপস এর সাহায্যে আপনি যে কোন ডকুমেন্ট কে কনভার্ট করতে পারবেন। doc, docx. Ppt, pptx এসব ফরম্যাট এ কনভার্ট করতে পারবেন।
                                                          Document Converter

৬। PDF Converter
এই টুলস এর সাহায্যে আপনি যে কোন ফাইল কে পিডিএফ ফাইল এ রূপান্তরিত করতে পারবেন।
                                                                 PDF Tools

৭। Audio Converter
কিছু কিছু অডিও আপনার ডিভাইসে সাপোর্ট নাও করতে পারে, অথবা কোন কাজে আপনার নির্দিষ্ট একটা ফরম্যাট দরকার। আপনি এই সাইটের সাহায্যে যেকোন অডিও ফাইলকে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফরম্যাট এ নিয়ে যেতে পারবেন।
                                                            Audio Converter

৮। Video Converter
এটির সাহায্যে আপনি যে কোন ভিডিও কে আপনার পছন্দের ফরম্যাট এ কনভার্ট করতে পারবেন।
                                                           Video Converter

৯। Archive Converter
অনেক সময় অনেকগুলো ফাইলকে একসাথে করার জন্য জিপ, রিপ, রার ফাইলে নিতে হয়, এই সাইটের সাহায্যে আপনি খুব সহজেই কাজটি করতে পারবেন।

                                                          Archive Converter

১০। Bangla Converter
বাংলা টাইপ করার জন্য ২টি ওয়ে/সফটওয়্যার আছে। একটি হচ্ছে বিজয় আরেকটি হচ্ছে অভ্র। এখন আমরা যে কোন একটি খুব ভাল পারি অন্যটি পারিনা। কিন্তু বিভিন্ন কাজে অথবা এপ্লিকেশন করার সময় নির্দিষ্ট একটা সিস্টেম ইউজ করতে হয়। হয় অভ্র অথবা বিজয়। কিন্তু আপনি যদি সেটি না পারেন তখন আপনাকে সাহায্য করবে এই টুলসটি। এর সাহায্যে আপনি অভ্র কে বিজয়ে অথবা বিজয়কে অভ্রতে কনভার্ট করতে পারবেন।
                                                            Bangla Converter

এ রকম আরও টিপস পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

পোস্টটি কেমন লাগল তা কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। আর ভাল লাগলে, আপনার ফ্রেন্ডদের জানাতে চাইলে ফেসবুকে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।
Contact Me

Adress/Street

12 Street West Victoria 1234 Australia

Phone number

+(12) 3456 789

Website

www.johnsmith.com